বেড়িবাঁধ প্রকল্পে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াত চেয়ারম্যানপুত্র

সংগৃহীত ছবি
সাতক্ষীরায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আব্দুর রহমান নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৭ মে) শ্যামনগর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার আসামিকে সাতক্ষীরা কারাগারে পাঠিয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ ও শূরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ওই মামলার ২ নম্বর আসামি।
পুলিশ জানায়, গত ২৪ মে রাতে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় জামায়াত নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুর রহমানসহ ২৫ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার অভিযোগ, জাইকার অর্থায়নে চলমান বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ওই ঘটনায় প্রকল্পের প্রকৌশলী জাহিদ হাসান ও কর্মচারী ফেরদৌস আহত হন।
গ্রেপ্তারের বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, মামলার ২ নম্বর আসামি আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত।
এদিকে চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা।
অপরদিকে, মামলাটিকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা শাখা। দলটির নেতারা গত সোমবার (২৫ মে) একটি লিখিত বিবৃতিতে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রকল্প এলাকার চর বনায়নের শত শত গাছ নির্বিচারে কাটার অভিযোগ রয়েছে। ইতোপূর্বে এ বিষয়ে স্থানীয়রা আন্দোলনও করেছে। তখন থেকেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে রেষারেষি চলছে।






