হিলি বন্দরে বেড়েছে ভারতগামী যাত্রীর চাপ

সংগৃহীত ছবি
গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সীমিত করেছিল ভারত সরকার। মেডিকেল ভিসা ছাড়া প্রায় সব ধরনের ভিসাই বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রায় দুই বছর পর ২৮ জুন থেকে পর্যটন ভিসা চালু করেছে দেশটি। এরপর থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বেড়েছে যাত্রী পারাপার। ভ্রমণ, চিকিৎসা, ব্যবসা ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে প্রতিদিনই বাড়ছে ভারতগামী যাত্রীর সংখ্যা।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া জানিয়েছেন, পর্যটন ভিসা চালুর আগে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১১০-১২০ জন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করতেন। বর্তমানে সে সংখ্যা বেড়ে ১৫০-১৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। পর্যটন ভিসা কার্যক্রম চালুর পর থেকেই যাত্রী পারাপারে এ ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা যাচ্ছে। ওসির ভাষ্য, ‘যাত্রী পারাপার বাড়লেও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। যাত্রীদের দ্রুত ও নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে সমন্বিতভাবে।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর পর্যটন ভিসা চালু হওয়ায় অনেকে ভ্রমণের পাশাপাশি চিকিৎসার জন্যও ভারত যাচ্ছেন। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজেও যাতায়াত করছেন অনেকে। একইভাবে ভারত থেকেও বাংলাদেশে আসা পর্যটক-দর্শনার্থীর সংখ্যাও বাড়ছে।






