ট্রেনের ছাদে ভ্রমণই কাল হলো আরিফুলের

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
টিকিট না পেয়ে চড়েছিলেন ট্রেনের ছাদে। সেটাই কাল হলো মো. আরিফুল ইসলাম (২৬) নামে এক ঠিকাদারের। ঢাকা থেকে সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে চড়েছিলেন তিনি। যাত্রাপথে ওভার ব্রিজের লোহার সঙ্গে ধাক্কায় মাথায় আঘাত পেয়ে প্রথমে গুরুতর আহত, পরে মারা যান তিনি।
আজ মঙ্গলবার আহত অবস্থায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই মারা যান আরিফুল।
আরিফুল ইসলামের বাড়ি নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের দাররা গ্রামে। তিনি ওই এলাকার সরকার বাড়ির মো. আজিজুল ইসলাম কান্দু ও লাকী বেগমের একমাত্র ছেলে। ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। একটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি কাজ করতেন আরিফুল।
পরিবার ও রেলওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে কাজের উদ্দেশে হবিগঞ্জের পিটিআই স্কুলে যাচ্ছিলেন আরিফুল। ট্রেনের টিকিট না পাওয়ায় তিনি পারাবত এক্সপ্রেসের ছাদে উঠে যাত্রা করেন। পথে ভৈরবের পুরাতন রেলসেতুর কাছে পৌঁছালে ব্রিজের সঙ্গে তার মাথায় আঘাত লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনা নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. শাহ আলম মিয়া। তিনি বলেছেন, পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর এবং পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।




