কচু এখন যাচ্ছে বিদেশেও
- অল্প খরচে বেশি লাভ বানিয়াচংয়ের কৃষকদের

সংগৃহীত ছবি
একসময় হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের মানুষের পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল কচু। কচুর প্রাচুর্যের কারণে অন্য এলাকার মানুষ ব্যঙ্গ করে বলতেন, ‘বাইন্যাচুঙ্গের কচুর মোড়া’। কিন্তু সময় বদলেছে। একসময় অবহেলিত সে কচুই এখন বানিয়াচংয়ের কৃষকের সম্ভাবনার নতুন নাম। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বিদেশেও বেড়েছে এর চাহিদা। ফলে কৃষকদের বিভিন্ন জাতের কচু চাষে উৎসাহিত করছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে, আগে বানিয়াচংয়ে মূলত চাষ হতো একটি জাতের কচুই। তবে বাজারে চাহিদা ও পুষ্টিগুণ বিবেচনায় এখন লাল কচুসহ (নারকেলি কচু) বিভিন্ন জাতের কচু চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কৃষকদের। এজন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা।
উপজেলার পূর্ব নন্দীপাড়া গ্রামের কৃষক আবদুল করিম জানালেন, ছোটবেলা থেকেই কচু চাষ করছেন তিনি। আগে কচু বিক্রি করতেন স্থানীয় বাজারেই। এখন নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা তার ক্ষেত থেকে কচু কিনে নিয়ে যান। কৃষি অফিসের সহযোগিতায় এবার তিনি শুরু করেছেন লাল কচুর চাষও।
বানিয়াচং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. এনামুল হকের ভাষ্য, ‘উপজেলার কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরেই সবুজ কচুর চাষ করছেন। বর্তমানে অধিক ফলন, বাজারমূল্য ও চাহিদার কথা বিবেচনায় লাল কচু বা নারকেলি কচুর চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।’




