ছাত্রীকে কয়েকবার ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে মারধর

ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা মোবারক হোসেন ওরফে এমরানকে (৪৫) পিটুনি দেন স্থানীয়রা। সংগৃহীত ছবি
নোয়াখালী সদর উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত মাওলানা মোবারক হোসেন ওরফে এমরানকে (৪৫) মারধর করে তুলে দিয়েছে পুলিশের হাতে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এমরানের বাড়ি উপজেলার অম্বদিয়া ইউনিয়নে।
শিশুর পরিবারের বরাতে সুধারাম থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ওই শিক্ষকের বাসায় প্রাইভেট পড়ত মেয়েটি। কয়েক মাস ধরে সে পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে। তার শারীরিক পরিবর্তন চোখে পড়ে বাবা-মায়ের। এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এক পর্যায়ে সে জানায়, ওই প্রাইভেট শিক্ষক তাকে পাঁচ-ছয় মাস ধরে ধর্ষণ করেছেন।
সোমবার মেয়েটিকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যায় পরিবার। তার এক স্বজন জানিয়েছেন, মেয়েটি ধর্ষণের শিকার বলে চিকিৎসক তাদের জানিয়েছেন। এরপর আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে এলাকায় খবরটি ছড়িয়ে পড়ে।
একই এলাকায় বাড়ি অভিযুক্ত মোবারকেরও। গতকাল মঙ্গলবার রাতে বাড়ির সামনের রাস্তায় দেখে শিশুর স্বজন ও আশপাশের লোকজন তাকে আটকে মারধর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।






