আবাসিক হোটেলের ফ্যানে ঝুলছিল পুলিশ সদস্যের মরদেহ

আতাউল কবির
কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি আবাসিক হোটেল থেকে আতাউল কবির (৪৪) নামে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।
আজ শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে কক্সবাজার পৌর বাস টার্মিনালসংলগ্ন ঢাকা আবাসিক হোটেলের চতুর্থতলার ৪০১ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আতাউল কবির পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজবাড়ী এলাকার উরুবুনিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মজুমদারের ছেলে।
পুলিশ ও হোটেল সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আতাউল কবির হোটেলটিতে একাই গিয়ে ৪০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। হোটেলের নথি অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে তার চেকআউট করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেলের কর্মীরা দরজায় কয়েক দফা ধাক্কা দেন। তবে ভেতর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পাওয়ায় বিষয়টি কক্সবাজার সদর থানায় জানানো হয়।
পরে বিকাল ৪টার দিকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ দেখতে পান তারা। ঘটনাস্থল থেকে আতাউল কবিরের জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশ পরিচয়পত্র, মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত মালামাল সংগ্রহ করেছে পুলিশ।
আতাউল কবির তাদের ইউনিটে কর্মরত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ নুরুল আবছার। তার ভাষ্য, ওই পুলিশ সদস্য দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের মধ্যে ছিলেন।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি পুলিশ। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।







