অটোরিকশাচালকের ফাঁদে নারী, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সিলেট নগরের চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকের উদ্দেশে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন এক নারী। চালক সাইদুর রহমান গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাকে বিশ্বনাথের অলংকারী ইউনিয়নে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই ছিলেন ৪-৫ জন অভিযুক্ত। তারা আলমনগরের মন্তাজ আলী নামের এক ব্যক্তির রান্নাঘরে নিয়ে যান ওই নারীকে। এরপর পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন বিশ্বনাথ উপজেলার আলমনগর গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে গয়াছ মিয়া (৪৪), একই গ্রামের মৃত আয়না মিয়ার ছেলে আশিক মিয়া (৩০), হায়াতেরগাঁও গ্রামের হাসিব আলীর ছেলে সাইদুর রহমান (৩০) এবং বটতলা গ্রামের ছাদ মিয়ার ছেলে আমির আলী (২৮)।
ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা নগদ ২ হাজার ২৫০ টাকা, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে তিনি কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে স্থানীয় পনাউল্লাহ বাজারে পৌঁছে লোকজনের সহায়তায় পুলিশকে বিষয়টি জানান।
বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজ প্রভাকর রায় বললেন, ‘এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’





