গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাদের মারধর, গ্রেপ্তার ১৮

গোপালগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত— সংগৃহীত
গোপালগঞ্জে বিএনপির দুই নেতাকে মারধর এবং তাদের মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আজ বুধবার মারধরের শিকার কাশিয়ানীর রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি করেন। পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে কাশিয়ানীতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় মহাসড়কের তিলছড়া এলাকায় অবস্থানরত রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির দুই নেতাকে মারধর করা হয় এবং তাদের মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরে যান। এ ঘটনায় ১০৬ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান বললেন, ‘বিএনপির দুই নেতাকে মারধর, তাদের মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নামে সড়কে বিক্ষোভ করার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি দোষীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত।’





