আমতলী
ব্যবহৃত পাথরে ব্লক নির্মাণ!

সংগৃহীত ছবি
পায়রা নদীর ২৫০ মিটার ব্লক নির্মাণে ১২ হাজার ঘনফুট ব্যবহৃত পাথর আনা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া এলাকার ২০ নম্বর প্যাকেজে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে বরগুনা পানি উন্নয়ন পায়রা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে ব্লক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। বোর্ড ৪৪/ বি পোল্ডারে ৩০০০ মিটার ব্লক নির্মাণে ১৩টি প্যাকেজে কাজ পায় বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। গত দুই বছরে বেশ কয়েকটি প্যাকেজের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ২০ নম্বর প্যাকেজ ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫০ মিটার নদীতে ব্লক নির্মাণ কাজ পায় অ্যাডনোচ বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানি।
আরো অভিযোগ রয়েছে, ২০ নম্বর প্যাকজের ২৫০ মিটার নদী ভাঙনের ব্লক নির্মাণ করতে অ্যাডনোচ বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড গত ১৫ আগস্ট সিলেট থেকে জাহাজে করে ১২ হাজার ঘণফুট পাথর আনে। পাথর ব্লক নির্মাণ এলাকা আড়পাঙ্গাশিয়ায় তুলে রাখা হয়।
স্থানীয় রাকিবুল ইসলাম ও লুৎফর হোসেন অভিযোগ করেন, ১২ হাজার ঘনফুট পাথর এনে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। পাথরগুলো ব্যবহৃত। পাথরের গায়ে সিমেন্টের আস্তর রয়েছে। ব্যবহৃত পাথর দিয়ে ব্লক নির্মাণ করা হলে তা টিকবে না। দ্রুত এ ব্লক অপসারণ করে ভালো পাথর আনার দাবি তাদের।
শুক্রবার সরেজমিন দেখা গেছে, আড়পাঙ্গাশিয়া নদীর পাড়ে পাথরের স্তুপ করে রাখা হয়েছে। পাথরের গায়ে সিমেন্টের আস্তর। ব্যবহৃত পাথর এনে রাখা হয়েছে ব্লক নির্মাণে।
অ্যাডনোচ বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড ম্যানেজার বদিরুজ্জামান বলেন, এ পাথর পানি উন্নয়ন বোর্ড রিজেক্ট করে দিয়েছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্ড অ্যাসিট্যান্ট মো. আশিকুর রহমান বলেন, আমাকে কোম্পানির লোকজন জাহাজ থেকে পাথার আনলোডের ভিডিও পাঠিয়েছে। কিন্তু কেমন পাথর তা আমার জানা নেই।
তিনি আরো বলেন, অ্যাডনোচ বাংলাদেশ কোম্পানি দুই বছরে ২০ হাজার ব্লক নির্মাণ করেছে। এখন ও অনেক ব্লক নির্মাণ বাকি।
বরগুনা পানি উন্নয়ন নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান বলেন, ব্লক নির্মাণে ব্যবহৃত পাথর আনার বিষয়টি জেনেছি। ওই পাথর ল্যাব টেষ্টে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। টেষ্টে পাথরের গুণগত মান না থাকলে ওই পাথর দিয়ে ব্লক নির্মাণ করতে দেয়া হবে না।








