Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

কুড়িগ্রাম

বারান্দার ফাঁকেই লুকিয়ে আছে ‘মৃত্যু’

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৩২
বারান্দার ফাঁকেই লুকিয়ে আছে ‘মৃত্যু’

গ্রাফিক্স। আগামীর সময়

কুড়িগ্রাম জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার ভবনগুলো যেন শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মরণ ফাঁদ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্কুল ভবনের গ্রিলবিহীন বারান্দা ও ছাদে শিক্ষার্থীদের অবাধ বিচরণে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। গত সাত মাসে জেলায় স্কুল ভবন থেকে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। সচেতন মহলও বলছে, ভবনের নকশায় গ্রিল ও ছাদে নিরাপত্তা বেষ্টনী যুক্ত করা জরুরি।

গত ৬ এপ্রিল দুপুরে টিফিন বিরতিতে খেলার সময় বারান্দার রেলিং টপকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার হাসি নিচে পড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার। ঘটনাটি ঘটেছিল চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কে ডি ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

এর আগে গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর নাগেশ্বরী উপজেলার পশ্চিম নাগেশ্বরী বটতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে পড়ে একটি শিশুর (৫) মৃত্যু হয়। স্কুলে ঘুরতে আসা ভর্তিচ্ছু ওই শিশু কখন, কীভাবে ভবনের ছাদে পৌঁছে তা কেউ বুঝে ওঠার আগেই শিশুটি নিচে পড়ে যায় বলে দাবি ওই স্কুলের শিক্ষকদের। এসব ঘটনার পর একই নকশার স্কুল ভবনগুলোতে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। বিশেষ করে অভিভাবকের মধ্যে বাচ্চাদের স্কুল পাঠাতে অনীহা দেখা দিচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার নয় উপজেলায় একই নকশার ভবন রয়েছে ৩০৬টি স্কুল। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এসব ভবনের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করেছে। তবে এলজিইডির দাবি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ভবনের নকশা অনুমোদন করেছে। শুধু বাস্তবায়ন করেছে এলজিইডি।

শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলছেন, দুই তলা ও তিন তলা বিশিষ্ট এসব ভবনের বারান্দায় শর্ট রেলিং থাকলেও গ্রিল নেই। ভবনগুলোর দ্বিতীয় তলায় বারান্দার সঙ্গে এক তলার ছাদে যাওয়ার পথ রয়েছে। ফলে শিশু শিক্ষার্থীরা সহজেই রেলিংয়ে উঠে পড়ছে, আবার যেতে পারছে ছাদেও। বিশেষ করে স্কুলে পাঠদান শুরুর আগে এবং টিফিন বিরতির সময় শিক্ষার্থীরা খেলায় মেতে উঠে। এ সময় তাদের নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।

এতে করে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। এ ছাড়াও এসব ভবনে স্কুলের শিক্ষা উপকরণ নিয়ে নিরাপত্তা সংকট দেখা দিচ্ছে। বেশিরভাগ স্কুল ভবনের চিত্র একই। সরেজমিন জেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে এসব অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া গেছে।

চিলমারীর কে ডি ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে মারা যাওয়া শিশুটির নাম হাবিবা আক্তার হাসি। হাসি মুখে স্কুলে যাওয়া শিশু হাসির করুণ মৃত্যু তার বাবা-মা ও সহপাঠীদের মুখের হাসি কেড়ে নিয়েছে। হাসির মৃত্যুর পর স্কুলটিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। স্থানীয় অভিভাবকরা তাদের শিশু সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে আতঙ্ক বোধ করছেন।

হাসির মা মরিয়ম বেগমের সঙ্গে কথা হয়। জানালেন, স্কুলের বারান্দায় গ্রিল থাকলে আমার মেয়ের এমন করুণ মরণ হইত না। একই স্কুলে আমার ছেলে শিশু শ্রেণিতে পড়ে। আমি চাই না আর কোনও মায়ের বুক খালি হোক। ওই স্কুলসহ সব স্কুলে গ্রিল দিয়ে বাচ্চাদের নিরাপত্তা ঠিক করা হোক।

একই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রেজাউলের মা রঞ্জিনা বেগম প্রশ্ন তুললেন, স্কুলের বাচ্চারা সবাই খেলুক (খেলার বয়সী)। খেলতে গিয়ে যদি বাচ্চারা মারা যায় তাহলে স্কুলে পাঠাই কেমন করি। ওই স্কুল বাচ্চাদের জন্যে নিরাপদ না। আমরা চাই সব স্কুলের বারান্দা গ্রিল দিয়ে ঘেরা হোক।

কে ডি ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলিমুল রাজি জানালেন, আমাদের স্কুল ভবনের বারান্দায় রেলিং থাকলেও গ্রিল নেই। গ্রিল থাকলে এই দুর্ঘটনা ঘটত না। হাবিবাকেও প্রাণ হারাতে হতো না। ওই নকশায় করা জেলায় আরও অনেক স্কুল ভবনের একই অবস্থা। এগুলোতে গ্রিল দেওয়া জরুরি। নয়তো আরও কোনো হাবিবাকে হয়তো প্রাণ হারাতে হবে।

নাগেশ্বরী উপজেলার কুটি পয়ড়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, টিফিন বিরতির সময় স্কুলের দ্বিতল ভবনের দ্বিতীয় তলার রেলিং ধরে শিশুরা খেলা করছে। অনেকে আবার ছাদে উঠে ছাদের রেলিং ধরে সহপাঠীদের সাথে গল্পে মেতে উঠেছে।

অভ্যন্তরীণ ব্যয়ে ভবনের নিচতলার বারন্দার রেলিংয়ের ওপরের ফাঁকা অংশে গ্রিল দেওয়া হলেও দ্বিতীয় তলার বারান্দায় গ্রিল নেই। ওই বারান্দা দিয়ে এক তলার একটির অংশের ছাদে শিশুরা অবাধে যাতায়াত করছে। আবার দ্বিতীয় তলার ছাদের দরজা খোলা থাকায় সেখানেও শিশুরা অবাধে যাতায়াত করতে পারছে।

স্কুলটির প্রধান শিক্ষক শাহানাজ পারভীন বলেছেন, ‘যে নকশায় ভবনগুলো তৈরি করা হয়েছে তা শিশুদের জন্য মোটেও নিরাপদ নয়। কেন যে এভাবে ভবনগুলো অনিরাপদ করে তৈরি করা হয়েছে তা আমরা জানি না। এগুলোতে পরিপূর্ণভাবে গ্রিল দিয়ে নিরাপদ করা দরকার।’

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী স্বীকার করলেন ভবনগুলোর নকশা শিশুদের জন্য নিরাপদ নয় বরং ক্রটিপূর্ণ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা বিভিন্ন সভা ও সেমিনারে এগুলো বলে আসছি। বারান্দায় রেলিংয়ের ফাঁক থাকায় এবং পুরো বারান্দায় গ্রিল না থাকায় শিশুদের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ব্যয়ে কিছু ভবনের বারান্দায় আমরা গ্রিল দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।’

কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইউনুস হোসেন বিশ্বাস জানালেন, ভবনগুলোর নকশা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর অনুমোদন করেছে। এলজিইডি শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। স্থানীয়ভাবে নকশা পরিবর্তনের সুযোগ নেই। এটা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারাধীন।

মৃত্যুকুড়িগ্রামবারান্দাস্কুলের নকশা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    তিস্তা মহাপরিকল্পনা ‘অবাস্তব’, ভারতের সঙ্গে চুক্তির পক্ষে আইনুন নিশাত

    তিস্তা মহাপরিকল্পনা ‘অবাস্তব’, ভারতের সঙ্গে চুক্তির পক্ষে আইনুন নিশাত

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৫৭

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ নিয়ে ডিজিটাল জালিয়াতি

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ নিয়ে ডিজিটাল জালিয়াতি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪৯

    রাস্তায় ফেলে যাওয়া প্রবাস ফেরত সেই জামাল উদ্দিন মারা গেছেন

    রাস্তায় ফেলে যাওয়া প্রবাস ফেরত সেই জামাল উদ্দিন মারা গেছেন

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪০

    গাড়িচালক খুনের মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

    গাড়িচালক খুনের মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:০৫

    বড়পুকুরিয়ায় ১৬৮ শ্রমিককে কাজে যোগ দিতে বাধা, বিক্ষোভ

    বড়পুকুরিয়ায় ১৬৮ শ্রমিককে কাজে যোগ দিতে বাধা, বিক্ষোভ

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২০

    ফেনীর সেই দুর্ঘটনার স্থানে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে মন্ত্রীর চিঠি

    ফেনীর সেই দুর্ঘটনার স্থানে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে মন্ত্রীর চিঠি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪১

    ছয় মাসে সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক : এবি পার্টি

    ছয় মাসে সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক : এবি পার্টি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:১৩

    তহশিলদার খাজনা নিয়েছেন ৭ হাজার, রশিদে লিখলেন ৭৩৮ টাকা

    তহশিলদার খাজনা নিয়েছেন ৭ হাজার, রশিদে লিখলেন ৭৩৮ টাকা

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৯

    দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন

    দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:২০

    ‘ওমান বাধা দিলে বোমা মারব’, হুমকি ট্রাম্পের

    ‘ওমান বাধা দিলে বোমা মারব’, হুমকি ট্রাম্পের

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:২১

    ডেভিড ইমন ফের রিমান্ডে

    ডেভিড ইমন ফের রিমান্ডে

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৯

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় ৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় ৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫২

    ঈশ্বরদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    ঈশ্বরদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৮

    নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি কাজ, ব্যয় বাড়ছে ২০২ কোটি টাকা

    নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি কাজ, ব্যয় বাড়ছে ২০২ কোটি টাকা

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৬

    কাপ্তাইয়ে বিরল ‘হোয়াইট-বার্ড কুকরি’ সাপ উদ্ধার

    কাপ্তাইয়ে বিরল ‘হোয়াইট-বার্ড কুকরি’ সাপ উদ্ধার

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:০৯

    advertiseadvertise