দশমিনা
নথিতে পাকা, বাস্তবে কাঁচা সড়ক: উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে শোকজ

পটুয়াখালীর দশমিনার বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট সড়ক থেকে রকমান ব্যাপারী বাড়ি পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কটি এলজিইডির নথিতে পিচঢালা পাকা হলেও বাস্তবে সড়কটিতে ইটের খোয়াও পড়েনি বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে সড়কটি পাকাকরণ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৩৩ লাখ ৮ হাজার ৮৮৫ টাকা ব্যয়ে সংস্কারের তথ্য রয়েছে।
তবে বরাদ্দ ও কাজের নথির সঙ্গে সড়কের বাস্তব অবস্থার অসংগতি নিয়ে গত ৮ অক্টোবর দৈনিক আগামীর সময়ে ‘নথিতে পাকা, বাস্তবে কাঁচা’ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি পটুয়াখালী এলজিইডির নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ অক্টোবর সংস্কারকাজের তদারক কর্মকর্তা ও দশমিনা উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) লুৎফর রহমানকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী এ টি এম সাদিকুর রহমান আগামীর সময়কে জানান, তিনি যোগদানের আগেই সংস্কারকাজ শেষ এবং বিল পরিশোধ করা হয়েছিল। প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে শোকজ করা হয়। গত ১৩ অক্টোবর লুৎফর রহমান লিখিত জবাব দিয়েছেন, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, শোকজের পরদিন গত ১২ অক্টোবর দুই দফায় বরাদ্দ দেওয়ার পরও সড়কটির কাজ না হওয়ার অভিযোগ সরেজমিন তদন্তে যান পটুয়াখালী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়ালিয়ার রহমান। এ সময় নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী মো. কামাল হোসেন ও দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী এ টি এম সাদিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়ালিয়ার রহমান জানান, তদন্ত চলমান রয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




