Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
কেঁচো সারে বগুড়ার লিমার বাজিমাত
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

পাখির গ্রামে পাখিরই ভয়

  • ঝিনাইদহের আশুরহাটে গাছ উজাড়, অবাধে শিকার
রাজিব হাসান, ঝিনাইদহ
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪
পাখির গ্রামে পাখিরই ভয়

ছবি: আগামীর সময়

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আশুরহাট পরিচিতি পেয়েছে ‘পাখির গ্রাম’ নামে। পরিযায়ী ও দেশি পাখির কলকাকলিতে ভরা থাকে যে গ্রামটি, সেখানেই এখন পাখিদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। রাতের আঁধারে চলছে পাখি শিকার, দিনের আলোয়ও চলে শিকারিদের আনাগোনা। এর সঙ্গে পুকুরপাড়ের বড় বড় গাছ কেটে ফেলায় কমছে পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়। স্থানীয়দের উদ্যোগে গড়ে ওঠা পাখির এই আবাসস্থল এখন হয়ে পড়েছে অনিরাপদ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে ওঠা এ এলাকায় এখন নিয়মিত নজরদারি না থাকায় শিকারিরা সুযোগ নিচ্ছেন। আশুরহাটকে আনুষ্ঠানিকভাবে পাখির অভয়াশ্রম ঘোষণা এবং পাখি শিকার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

২০০৭ সালের দিকে শীত মৌসুমে আশুরহাটে অতিথি পাখির আনাগোনা শুরু হয়। ধীরে ধীরে তিনটি পুকুরের চারপাশের বড় বড় গাছে পাখির সংখ্যা বাড়তে থাকে। পরিযায়ী পাখির পাশাপাশি সেখানে শামুকখোল, পানকৌড়ি, বক, ঘুঘু, শালিকসহ বিভিন্ন দেশি পাখিও বসতি গড়ে তোলে। পাখিদের প্রতি স্থানীয় মানুষের আগ্রহ ও ভালোবাসা বাড়তে থাকায় তারাই নিজেদের উদ্যোগে এলাকাটিকে পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতের আঁধারে চোরা শিকারিরা পাখি শিকার করেন। এমনকি দিনের বেলায়ও কেউ কেউ পাখি ধরছেন। পাখি সংরক্ষণ পরিষদের সদস্যরা নিজেদের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে পাখিগুলোর দেখাশোনা করে আসছেন। কিন্তু শিকারিদের ঠেকাতে সীমাবদ্ধতার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। গ্রাম-পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তারা নিয়মিত ও যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছে না— অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা রউচ উদ্দিন, শামসুল আলম ও নয়ন শেখের।

তাদের ভাষ্য, পাখিদের আবাসস্থলের গাছ কেটে ফেলার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। গাছ কমে যাওয়ায় পাখির বাসা তৈরি ও বংশবিস্তারের সুযোগ কমে গেছে। এর সঙ্গে শিকারিদের তৎপরতা যোগ হওয়ায় আশুরহাটের পাখির সংখ্যা ভবিষ্যতে কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুধু শিকার নয়, পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংসের আরেকটি কারণ হিসেবে বড় গাছ কেটে ফেলার বিষয়টি সামনে এসেছে। পুকুরগুলোর চারপাশে থাকা গাছগুলোতেই পাখিরা বাসা বাঁধে। এসব গাছ কমে গেলে পাখিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ও কমে যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় পাখিপ্রেমীরা।

আশুরহাট পাখি সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের ভাষায়, ‘দীর্ঘদিন ধরে এখানে পাখির অভয়ারণ্য গড়ে উঠেছে। কিন্তু পুকুরের চারপাশের ব্যক্তিমালিকানাধীন বড় গাছ কেটে ফেলায় পাখিদের বাসা বাঁধা ও বংশবিস্তার হুমকির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি রাতে শিকারিরা পাখি ধরছেন।’ গ্রাম-পুলিশকে আরও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাটিকে অভয়াশ্রম ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয়দের এসব অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস। জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন জানালেন, আশুরহাটে গাছ কেটে ফেলার বিষয়টি তারা শুনেছেন। পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পাখিশিকারিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

ঝিনাইদহআশুরহাটগাছ উজাড়পাখি শিকার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    শেয়ার পার্কিং সফটওয়্যারে কারসাজি

    শেয়ার পার্কিং সফটওয়্যারে কারসাজি

    আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

    আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন