ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ড, শঙ্কা দুর্ঘটনার

ছবি: আগামীর সময়
দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে অপরিকল্পিতভাবে স্থাপিত বিলবোর্ডগুলো এখন জননিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় এসব বিলবোর্ড ভেঙে পড়ে বিদ্যুতের লাইনের ক্ষতি করছে, সৃষ্টি করছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুপাশ জুড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বাণিজ্যিক বিলবোর্ড। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বিলবোর্ডের অধিকাংশই নিরাপত্তা বিধি ও প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় না রেখে বিদ্যুৎ লাইনের কাছাকাছি স্থাপন করা হয়েছে। ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সেগুলো ভেঙে পড়ে বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ক্ষতি করছে এবং জনদুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।
সম্প্রতি সিরাজদিখান উপজেলার রামেরখোলা এলাকায় একটি বড় বিলবোর্ড ভেঙে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে। এতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায় এবং একাধিক খুঁটি হেলে পড়ে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করলেও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার কয়েক দিন পরও ভেঙে পড়া বিলবোর্ডটি অপসারণ করা হয়নি।
স্থানীয়রা জানালেন, ঝড়-বৃষ্টির সময় বিলবোর্ডগুলোর গোড়ার মাটি সরে যাওয়ায় এগুলো সহজেই কাত হয়ে পড়ে। এতে শুধু বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নয়, এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ডের উপস্থিতি শুধু বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না। জননিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে উঠেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর মোল্লা জানালেন, রাস্তার পাশে বিদ্যুৎ লাইনের সঙ্গে থাকা বিলবোর্ডগুলো দ্রুত অপসারণ করা প্রয়োজন। ঝড়-বৃষ্টির দিনে বিলবোর্ডের গোড়ার মাটি সরে গিয়ে সেগুলো ভেঙে বিদ্যুতের খুঁটির ওপর পড়ে। এতে আমরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।
আল-আমিন সাইনের মালিক জানিয়েছেন, তিনি ঢাকার বাহিরে আছেন ৷ বিষয়টি তিনি জানেন না ৷
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূম্পা ঘোষ বললেন, ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ডগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।




