ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভোগান্তিহীন ঈদযাত্রা

ছবি: আগামীর সময়
ঈদযাত্রায় এবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে স্বস্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ। বুধবার দিনভর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।
হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সড়ক ও মহাসড়কে পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্কাউট ও স্বেচ্ছাসেবকের সমন্বিত তৎপরতায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
আজ বুধবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও কমে আসে। একই চিত্র দেখা গেছে ঢাকা-নোয়াখালী-চাঁদপুর ও কুমিল্লা-সিলেট সড়কেও। সাধারণত যানজটপ্রবণ হিসেবে পরিচিত চৌদ্দগ্রাম, মিয়া বাজার, শুয়াগাজী, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, চান্দিনা, মাধাইয়া ও ইলিয়টগঞ্জ এলাকাতেও কোথাও যানজট ছিল না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম। যাত্রীবাহী বাসের চেয়ে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের চলাচল ছিল বেশি।
ঢাকা থেকে কুমিল্লাগামী মিয়ামি পরিবহনের সুপারভাইজার আরিফুর রহমান জানান, এদিন যাত্রী তুলনামূলক কম ছিল। যানজট না থাকায় আড়াই ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে কুমিল্লায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল সীমিত করা হয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া মহাসড়কের ২৫টি পয়েন্টকে যানজটপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কুমিল্লা বাস মালিক সমিতির সভাপতি তাজুল ইসলাম মন্তব্য করেন, এবারের ঈদযাত্রা অনেকটাই ভোগান্তিমুক্ত। হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকরাও যানজট নিরসনে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান জানান, পুরো অঞ্চলের প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সড়ক ও মহাসড়কে পুলিশের প্রায় এক হাজার কর্মকর্তা ও সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
তার ভাষ্য, বুধবার কোথাও উল্লেখযোগ্য যানজটের খবর পাওয়া যায়নি এবং মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছেন।






