একসঙ্গে চাকরি হারালেন গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষক, নেপথ্যে কী

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়— সংগৃহীত
শিক্ষাছুটি শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে না ফেরায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৭ শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর মধ্যে একজন শিক্ষক সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত কারণে চাকরিচ্যুত হয়েছেন।
আজ রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ডের ৪৩/১০ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একাধিকবার চিঠি দিয়ে কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করায় সংশ্লিষ্টদের স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত (চাকরিচ্যুত) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটিকালীন আহরিত অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা হলেন ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম, আশরাফুল হোসেন হাওলাদার, সহকারী অধ্যাপক পান্থ প্রতিম সরকার, একই বিভাগের প্রভাষক মো. আহসানউল্লাহ, মো. খায়রুল বাশার ও উপমা দাস, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাকলী খাতুন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ময়মুনা বেগম কলি, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবব্রত পাল, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রুবাইয়াৎ রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিয়া নাহিয়ান জুলফিকার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক অধরা তাহসিন, অ্যাপ্লাইড কেমিস্টি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জল হুসাইন, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাবিয়া খাতুন।
এছাড়াও ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত কারণে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।





