দর্শনায় ৩৬ কোটি টাকার এক্সেল লোড কেন্দ্র নির্মাণ শেষ হয়নি ৫ বছরে

ছবি: আগামীর সময়
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় ৫ বছরেও শেষ হয়নি দুটি এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ। প্রকল্পটির জন্য ৯ একর জমির ওপর অবকাঠামো নির্মাণ ও জমি অধিগ্রহণে ব্যয় হয়েছে ৩৬ কোটি টাকা। ওভারলোডিংয়ের কারণে ক্ষতি হচ্ছে সড়কের। ঘটছে দুর্ঘটনা।
মূলত দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোকে অতিরিক্ত ওজনের ভারী ট্রাকের থাবা থেকে বাঁচাতে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ ছিল এই ধরনের এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র নির্মাণ। পরিকল্পনা ছিল এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহাসড়কের উৎসমুখেই বসবে অত্যাধুনিক স্কেল। যা দিয়ে চলন্ত অবস্থাতেই মাপা হবে পণ্যবাহী যানের ওজন।
সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রকল্পের অধীনে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে দর্শনা রেলগেটের অদুরে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিন দফায় কাজের মেয়াদ ৩ বছর বাড়ানো হলেও তা শেষ হয়নি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র দুটি ।
প্রকল্প এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে প্রশাসনিক ভবন, ওয়ার হাউজ, সাবস্টেশন, পার্কিং, টোলবুথ । ভারত থেকে রেলপথে দর্শনায় আসে পাথর, ভূট্টা, খৈল, ভূষি। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও অতিরিক্ত লোড নিয়ে যানবহন চলাচল করে জেলার সড়কগুলোতে।
প্রকল্পটি নির্মাণ খরচ ৩১ কোটি টাকা ও জমি অধিগ্রহণ ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ঢাকার স্পেকট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড।
দর্শনার আব্দুল আওয়াল বললেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয় নির্মিত এই প্রকল্পটি যদি চালু করা হয় তাহলে সড়কের যে ক্ষতি সেটা অনেক অংশে কমে যাবে। এটা দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় এর যে ভবনগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। কাজ শেষ না করাই এটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আমরা চাই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দূরত্ব এই কাজটি যেন সমাপ্ত করে।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান স্পেকট্রার প্রকৌশলী মো. এনামুল হক সজিবের ভাষ্য, প্রকল্পের কাজ এ বছর শেষ হবে। কাজ ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ শেষ করে হস্তান্তর করা হবে।




