সরকারি দামেই সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রির কড়া নির্দেশ

সংগৃহীত ছবি
সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি (তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডার বিক্রির কড়া নির্দেশ দিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।
সংগঠনটি নিজেই বলেছে দেশে এলপিজি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও বাড়তি দাম আদায় বা অবৈধভাবে মজুদ গড়ে তুললে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার লোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক এই নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন।
এমন একসময়ে এই কঠোর নির্দেশনা এলো যখন খুচরা পর্যায়ে সিলিন্ডার গ্যাস বা এলপিজির চরম সংকট চলছে। সরকার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। খুচরা বাজারে সেটি বিক্রি হচ্ছে ২১শ থেকে ২২শ টাকা পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় দেশের এলপিজি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশে এলপিজি আমদানির পরিমাণ যথেষ্ট সন্তোষজনক। গত আগস্ট মাসে দেশে ১ লাখ ৫৮ হাজার টন এবং সেপ্টেম্বর মাসে ১ লাখ ৫৬ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো সুযোগ নেই।
লোয়াব জানিয়েছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও যদি কোনো অপারেটর, পরিবেশক (ডিস্ট্রিবিউটর), ডিলার কিংবা খুচরা বিক্রেতা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করেন অথবা নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুদ করেন, তবে তা আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতের তদারকি জোরদার করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বাজার মনিটরিংয়ের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।
সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংগঠনটি।




