চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর মিছিলে বাধা, উত্তেজনা

মিছিলের বিরোধীরা মাদ্রাসার সামনে এবং অংশগ্রহণকারীরা সড়কের অপরপ্রান্তে একটি পুকুরপাড়ে অবস্থান নেন। ছবি: আগামীর সময়
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ঈদে মিলাদুন্নবীকে (সা.) স্বাগত জানিয়ে বের করা মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি। ঘটনাস্থলে বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি।
মিছিলকারীদের অভিযোগ, স্থানীয় একটি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের বের করা মিছিলে বাধা দিয়েছেন।
আজ শনিবার দুপুরে বাঁশখালী পৌরসভার ভাদালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পৌরসভার শেষপ্রান্তে বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের মুখে মিছিল বের করার জন্য জড়ো হচ্ছিলেন লোকজন। বিভিন্ন এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশা, পিকআপ, জিপ (চাঁদের গাড়ি) নিয়ে কয়েকশ' মানুষ সেখানে আসেন। মিছিল শুরুর আগমুহূর্তে স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আশপাশের লোকজন বের হয়ে বাধা দেন। মাদ্রাসার পাশের সড়ক দিয়ে মিছিল যেতে পারবে না বলে দাবি করেন তারা।
পরে বাধার মুখে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে উত্তেজনা শুরু হয়। উপজেলার আরও বিভিন্ন এলাকা থেকে ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুসপন্থীরা সেখানে দলে দলে আসতে থাকেন। একপর্যায়ে মিছিলের বিরোধীরা মাদ্রাসার সামনে এবং অংশগ্রহণকারীরা সড়কের অপরপ্রান্তে একটি পুকুরপাড়ে অবস্থান নেন। সংঘর্ষের আশঙ্কায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় স্থানীয় দোকানপাটও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে উভয়পক্ষের মাঝে অবস্থান নেন বলে জানালেন বাঁশখালী থানার ওসি (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হালদার। তিনি বললেন, ‘ঈদে মিলাদুন্নবীর মিছিল বের হয়েছিল। এখানে দুইটা পক্ষ আছে। তাদের মধ্যে পূর্ব বিরোধ আছে। আমরা খুবই সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছি।
ওসির মন্তব্য, ‘আগামীকাল (রবিবার) উভয়পক্ষকে নিয়ে ইউএনও এবং ওসি স্যারের মধ্যস্থতায় একটি বৈঠক হবে। আশা করি সেখানে সমাধান হবে।’






