দুটি ব্রেস্টফিডিং কর্নার উদ্বোধন

চট্টগ্রামে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নারের উদ্বোধন করছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন
শিশুদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে মাতৃদুগ্ধপান নিশ্চিত করতে নগরীর দুটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়েছে।
আজ শনিবার নগরীর কর্ণফুলী ব্রিজ ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে দুটি ব্রেস্ট ফিডিং কর্নারের উদ্বোধন করা হয়।
ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় কর্নার দুটি স্থাপন করা হয়।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বললেন, ‘মায়েদের স্বস্তি ও শিশুদের নিরাপদ মাতৃদুগ্ধপান নিশ্চিত করতে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুস্থ ও নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের প্রয়োজনীয় মানবিক সেবাও নিশ্চিত করতে হবে।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। প্রতিদিন এখানে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসেন। তাদের জন্য দুগ্ধপানের জন্য উপযুক্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ দরকার। মায়েদের এই বাস্তব সমস্যার কথা বিবেচনা করেই এখানে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। একইভাবে নতুন ব্রিজ এলাকায়ও এটা করা হয়।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘শিশুর জীবনের প্রথম ছয় মাস মায়ের দুধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মায়ের দুধে থাকা পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধে সহায়ক উপাদান শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যায়ক্রমে নগরের বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন, বাস স্টেশন, পতেঙ্গাসহ গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমপূর্ণ স্থানগুলোতে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও জনপ্রিয় সিরিজ ব্যাচেলর পয়েন্টের অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘কারাগারে এই কর্নারের নির্মাণকাজ চলার সময়ও অনেক মা সন্তানকে বুকের দুধ পান করানোর জন্য কয়েক মিনিট সময় দেওয়ার অনুরোধ করতেন। এই ঘটনা থেকেই বোঝা যায়, মায়েদের জন্য এমন একটি নিরাপদ ও নিরিবিলি জায়গার কতটা প্রয়োজন ছিল। আমরা চেষ্টা করছি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে এই সেবাটি পৌঁছে দিতে।’
‘যতনে যতনে ভরে উঠুক বাংলাদেশ’ শীর্ষক স্লোগানে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ফুডি এক্সপ্রেস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহনেওয়াজ মান্নান এবং করপোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



