Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
হাজারো মানুষের প্রেরণা রফিকুল
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই বন্যার্তদের

আব্দুল্লাহ আল মামুন
আব্দুল্লাহ আল মামুন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ২০:১৬
ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই বন্যার্তদের

ছবি: আগামীর সময়

চট্টগ্রাম পাহাড়ি ঢল ও বন্যার তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ। দুইদিন বৃষ্টি বন্ধ থাকায় ঘর-বাড়ি থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চলের চারদিকে এখন কেবলই ধ্বংসের ক্ষতচিহ্ন।

বুধবারেও বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বসতঘরের উঠান জুড়ে থই থই করছে বন্যার পানি। আশ্রয় কেন্দ্র থেকে মানুষ ধ্বংসস্তূপে ফিরে আসছে। নেমেছে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে। কারো ঘরে ধসে গেছে। কারো ঘরে আবার হাঁটু থেকে গোড়ালি সমান কাদা জমেছে।

বহু পরিবার এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। এলাকার অধিকাংশ মাটির ঘর ধসে পড়েছে। ঘর হারানো মানুষগুলোর দিন কাটছে খোলা আকাশের নিচে কিংবা স্বজনদের আশ্রয়ে। শুধু থাকার জায়গাই নয়, রান্না করার সুযোগ না থাকা, বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার চরম বিপর্যয়ে দুর্গত এলাকার মানুষজন এখন অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মুখোমুখি। বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধ মো. সোলায়মান আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘ঘরের ভেতর থেকে পানি নামছে ঠিকই, কিন্তু উঠানে এখনো পানি আছে। রান্নাবান্না সব বন্ধ। সবচেয়ে বেশি কষ্ট খাওয়ার পানির। টিউবওয়েল সব পানির নিচে তলিয়ে গেছে।’

পানি নেমে যাওয়ার পর স্পষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ অবকাঠামো ও অর্থনীতির ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র। কেবল বসতঘরই নয়, ঢলের পানিতে ভেঙে গেছে গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক। ভেসে গেছে মাইলের পর মাইল সবজিখেত, ফসলি জমি, উপকূলের লবণের মাঠ এবং কোটি টাকার মাছের ঘের।

আরও পড়ুন

আবারও ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা

১২ জুলাই ২০২৬

উপকূলীয় অঞ্চলের চাষি আমান উল্লাহ বলেছেন, ‘এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে মাছের ঘের আর সবজি চাষ করেছিলাম। বন্যা আমাদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিল। এই ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে উঠব, তা নিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছি।’

দুর্গত এলাকার মানুষরা জানাচ্ছেন, জরুরি ভিত্তিতে তারা পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা পেলেও এখন তাদের বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দ্রুত স্থায়ী পুনর্বাসন। এদিকে, আজ দুপুরে বাঁশখালীর খানখানাবাদ ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

তিনি বলেছেন, ‘উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তাদের বলেছি অতিসত্বর সমীক্ষা করতে। কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে। মৎস্য ঘের কতটা ক্ষতি হয়েছে। কত মানুষের বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তালিকা পেলে ঘর নির্মাণের জন্য মঞ্জুরি দেবো। কাউকে কাউকে ঢেউটিন দিয়ে সহযোগিতা করব।’

তিনি বলেছেন, ‘ত্রাণ বিতরণে কোনো রকম দুর্নীতি এবং স্বজন প্রীতি আমরা বরদাস্ত করবো না। বন্যা প্লাবিত মানুষের ক্ষেত্রে কোনো রাজনীতি নেই। যারাই দুর্গত তাদের ত্রাণ দিতে হবে। এ ধরনের অভিযোগ যদি আসে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাঁশখালীর মতো পার্শ্ববর্তী সাতকানিয়া উপজেলার বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল থেকেও বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে সেখানেও ভেসে উঠছে ভাঙা রাস্তাঘাট আর ধসে পড়া ঘরবাড়ির কঙ্কাল।

জলাবদ্ধতাচট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস:  বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস: বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    পুলিশের বাড়িতে নিজেদের দ্বন্দ্বেই পুলিশের অভিযান

    পুলিশের বাড়িতে নিজেদের দ্বন্দ্বেই পুলিশের অভিযান

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    সেতু নেই ডাকাতিয়া নদীতে, স্বেচ্ছাশ্রমে ২৬০ ফুট বাঁশের সাঁকো

    সেতু নেই ডাকাতিয়া নদীতে, স্বেচ্ছাশ্রমে ২৬০ ফুট বাঁশের সাঁকো

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    পঞ্চগড়ে দেড় লাখ টাকাসহ উপসহকারী প্রকৌশলীকে আটকালেন স্থানীয়রা

    পঞ্চগড়ে দেড় লাখ টাকাসহ উপসহকারী প্রকৌশলীকে আটকালেন স্থানীয়রা

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ