Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম

তাহাদের ছোটবেলার বৈশাখের স্মৃতি

চট্টগ্রাম অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:১৮
তাহাদের ছোটবেলার বৈশাখের স্মৃতি

আগামীর গ্রাফিক্স

চট্টগ্রামের তিন রাজনীতিক। প্রথমবারের মতো গেছেন সংসদে। বাঙালির আত্মপরিচয়ের জানান দেয়া পহেলা বৈশাখ তাদের শৈশবে কীভাবে আসতো আবার এখনকার শহুরে নাগরিক জীবনে কীভাবে কাটে এই দিনটি?

আগামীর সময়ের সঙ্গে আলাপনে তিনজনই কিছু সময়ের জন্য হারিয়ে যান ছোটবেলার স্মৃতিতে। ফেরেন এই ব্যস্ত সময়ের আয়োজনের কথা জানিয়ে।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরীর একাংশ) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্যাবিনেটে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। বাবা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রবীণ বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

ছোটবেলার পহেলা বৈশাখটা মীর হেলালের কাছে ঈদ উৎসবের মতোই আনন্দমুখর ছিল। জানালেন, নতুন পাঞ্জাবি-পায়জামা পরতাম, লাল-সাদা পাঞ্জাবি, একটা অন্যরকম আমেজ ছিল। স্কুল থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হতো। আমরা ভুভুজেলা, খেলনা ঢোল বাজিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিতাম। বাতাসা, কটকটি মিঠাই, খই, জিলাপি আর নানা মজার খাবার আমাদের দেওয়া হতো। শৈশবের সেই আনন্দটা ছিল একেবারে নির্মল আনন্দ, আমি সেটাকে খুব মিস করি।

আবার চৈত্র সংক্রান্তির দিন মায়ের হাতের রান্না করা পাচনও স্মৃতিতে ভর করে, ‘আম্মা বাসায় পাচন রান্না করতেন। আমরা সেটাকে ঘণ্ট বলতাম। খুব মজা করে খেতাম। এখন আর সেভাবে পাচন রান্না হয় না। এখন পহেলা বৈশাখের সকালে পান্তা ভাতের সঙ্গে ইলিশ কিংবা অন্যান্য মাছ, দুপুরে ভালো খাবার রান্না হয়। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবরা আসেন। আমরাও তাদের বাড়িতে যাই।’

রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকা ১৩টি ক্ষুদ্র ও বাঙালিসহ ১৪টি জাতিগোষ্ঠীর যার যার নিজস্ব সংস্কৃতির সম্মিললে বৈশাখের সার্বজনীনতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন বলে জানালেন মীর হেলাল।

আরেক তরুণ সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান তূর্য। চিন্তায়, মননে প্রগতিশীল সংস্কৃতিমনস্ক রাজনীতিক পিতা প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমানের যথেষ্ঠ প্রভাব। অক্সফোর্ড পাস করা তূর্য চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-খুলশী) থেকে নির্বাচিত হয়ে গেছেন সংসদে।

পরিবারের সূত্রেই ছোটবেলা থেকে পহেলা বৈশাখের মতো সার্বজনীন উৎসবগুলো জীবনে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে জানালেন সাঈদ আল নোমান। বললেন, ‘আব্বা, আম্মা দুজনই খুব ব্যস্ত থাকতেন। কিন্তু পহেলা বৈশাখের দিনটা যতটা সম্ভব আমাদের ভাই-বোনদের দিতেন। আব্বার সঙ্গে রমনার বটমূল কিংবা চট্টগ্রামে থাকলে ডিসি হিলের অনুষ্ঠানে যেতাম। বৈশাখী মেলায় যেতাম। ঘরেও মিষ্টি, পায়েস, ইলিশ মাছসহ মজার নানা খাবার তৈরি করা হতো। আমার চাচাদের পরিবার মিলে তো আমাদের বিশাল পরিবার ছিল। সবাই মিলে খুব মজা করতাম।’

রাজনীতিতে এসে এখন তূর্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাটান পহেলা বৈশাখ, ‘গতবছর শহীদ ওয়াসিম পার্কে আমাদের দলের নেতাকর্মীদের সন্তানদের নিয়ে গান, নাচ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম। বিজয়ীদের বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়েছিল। প্রায় আড়াই হাজার মানুষের জন্য খাবার-দাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। এবারও একই আয়োজন করেছি।’

এদিকে রাজনীতির মাঠ থেকে উঠে আসা পোড়খাওয়া নেতা আবু সুফিয়ান। চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসন থেকে এবার নির্বাচিত হয়েছেন। বাড়ি কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় হলেও রাজনীতির পুরোটাই চট্টগ্রাম জুড়ে।

পাড়া-গাঁয়ে শিশুকাল কাটানো আবু সুফিয়ানদের সময়ে পহেলা বৈশাখ খুব ভিন্ন কোনো বার্তা নিয়ে আসতো না, ‘আমাদের গ্রামে গরুর লড়াই, মেলা, ঘোড়াদৌড়, বলিখেলা এগুলোই ছিল পহেলা বৈশাখের আয়োজন। এখন যেভাবে একেবারে ঘরে ঘরে, পাড়ায় পাড়ায় পহেলা বৈশাখের আয়োজন হচ্ছে, সেরকম আমাদের সময়ে ছিল না।’

শহরে-গ্রামে এখন যেভাবে পহেলা বৈশাখের আয়োজন করা হচ্ছে, সেটা খুবই আশাব্যঞ্জক বলে জানালেন আবু সুফিয়ান, ‘একটা উৎসব সবাই মিলেমিশে করা, সবার ঘরে ঘরে একই আয়োজন। এটা খুবই ভালো। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এই আয়োজনগুলোকে যথাসাধ্য সহযোগিতা দিয়ে এগিয়ে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।’

চট্টগ্রামপহেলা বৈশাখ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise