Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

১৬ বছর পর সিডিএ বলছে, ‘ভুলে ভরা’ ৫ হাজার কোটির উড়াল সড়ক

আব্দুল্লাহ আল মামুন
আব্দুল্লাহ আল মামুন
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ২১:৪১
শেয়ার করুন:
১৬ বছর পর সিডিএ বলছে, ‘ভুলে ভরা’ ৫ হাজার কোটির উড়াল সড়ক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

চট্টগ্রামের যানজট নিরসনে গত দেড় দশকে নির্মিত সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ফ্লাইওভার ও এক্সপ্রেসওয়েগুলোকে নিজেদের ‘ভুল পরিকল্পনা’ বলে স্বীকার করে নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সিডিএর খসড়া মাস্টারপ্ল্যানে (মহাপরিকল্পনা) বিষয়টি উল্লেখ করতে দেখা গেছে। এতে বলা হয়েছে, সমন্বিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বদলে কেবল বড় অবকাঠামো নির্মাণ নগরের যানজট কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।

নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নগরে চারটি ফ্লাইওভার, একটি ওভারপাস এবং একটি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হয়। এতে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ২৩৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়া এসব ফ্লাইওভারের যাবতীয় ভুলত্রুটি তুলে আনা হয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের আমলে। মজার ব্যাপার হলো এই মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগ আমলে।


আরও পড়ুন

ঝুঁকিতে ভরা রাতের হাতিরঝিল

৩০ জুলাই ২০২৬

এর মধ্যে রয়েছে ২০১৪ সালে ১৪৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার। ২০১৫ সালে ৫৮ কোটি ২২ লাখ টাকায় কদমতলী জংশনে ফ্লাইওভার। ২০১৮ সালে ৬৯৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকায় নির্মিত ৩ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মুরাদপুর-লালখানবাজার ফ্লাইওভার এবং ২০১১ সালে ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেওয়ানহাট ওভারপাস। সর্বশেষ ২০২৪ সালে ৪ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চালু হয় লালখানবাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

২০১০ সালের ২ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে নগরীতে উড়াল সড়ক যুগের সূচনা করেছিলেন। তবে শুরু থেকেই নগর পরিকল্পনাবিদরা সঠিক সমীক্ষা ছাড়া এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের বিরোধিতা করে আসছিলেন।

সিডিএর নতুন খসড়া ‘স্ট্রাকচার প্ল্যান রিপোর্ট’ এবং ‘ট্রান্সপোর্ট মাস্টার প্ল্যান’-এর তথ্য অনুযায়ী, অতীতে অনুমোদিত মূল পরিকল্পনা নথিতে এসব ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কোনো প্রস্তাবই ছিল না। এতে আরও তুলে ধরা হয়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী যানজট নিরসনে প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত ছিল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এবং সিগন্যাল ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। কিন্তু অতীতে সেই পথ না হেঁটে উড়াল সড়ক তৈরিতে বিপুল বিনিয়োগ করা হয়েছে।

সিডিএউড়ালসড়ক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    সুতোয় ঝুলছে ফকিরের ভাগ্য, নতুন আইজিপির আলোচনায় অনেক নাম

    সুতোয় ঝুলছে ফকিরের ভাগ্য, নতুন আইজিপির আলোচনায় অনেক নাম

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    আরও পড়ুন

    ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি নেতা

    ৩০ জুলাই ২০২৬

    মাস্টারপ্ল্যানে আরও দেখা যায়, আগের পরিকল্পনার ভৌত অংশ (যেমন : রাস্তা প্রশস্তকরণ বা মোড় উন্নয়ন) কিছুটা বাস্তবায়ন হলেও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলো উপেক্ষিত থেকে গেছে। চট্টগ্রাম ট্রাফিক কমিটি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ট্রাফিক কমিটি গঠন কিংবা আলাদা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট গ্রুপ তৈরির মতো উদ্যোগগুলো নেওয়া হয়নি। ফলে সড়কে এখনো শৃঙ্খলা ফেরেনি।

    এ বিষয়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান বলছিলেন, ‘নগর পরিকল্পনা একটি কারিগরি বিষয়। কারিগরি সিদ্ধান্ত কারিগরি ব্যক্তির হাতেই থাকা উচিত। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এমন পদে থাকলে জনতুষ্টি ও রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রকল্প নেন, যা সাধারণ মানুষের বাস্তব কাজে আসে না। খসড়া মাস্টারপ্ল্যানের তথ্যে সেটিই আবার প্রমাণিত হলো।’

    পরিকল্পনাগত ভুলের বিষয়টি স্বীকার করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) বর্তমান চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন আগামীর সময়কে জানাচ্ছিলেন, ‘অতীতের এসব প্রকল্প রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের কথা চিন্তা করা হয়নি। নতুন মহাপরিকল্পনার আলোকে যেখানে যেখানে সংশোধন করা সম্ভব, সেখানে সংশোধন আনব।’