Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
কেঁচো সারে বগুড়ার লিমার বাজিমাত
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

বিদ্যুৎ-জ্বালানি গুটিকয়েকের হাতে তুলে দিয়েছিল স্বৈরাচার : প্রধানমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৯
বিদ্যুৎ-জ্বালানি গুটিকয়েকের হাতে তুলে দিয়েছিল স্বৈরাচার : প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া সমুদ্র সৈকতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান— আগামীর সময়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিগত স্বৈরাচার আমলে এই দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে গুটিকয়েকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, যা এই দেশের মানুষের পক্ষে  ছিল না।’

এই অপরিকল্পিত ব্যবস্থা সংস্কারে সময় লাগছে স্বীকার করে তিনি বলেছেন, ‘সেই জ্বালানি ও বিদ্যুৎব্যবস্থা, যা অপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন মানুষকে সুবিধা দিয়েছিল, সেটিকে যদি জনগণের স্বার্থে নতুন করে পরিকল্পনা করতে হয়, স্বাভাবিকভাবেই কিছু সময়ের প্রয়োজন। আমরা ইতোমধ্যে এই কাজে হাত দিয়েছি। বাংলাদেশের মানুষের সামনে আগামী ১০ বছরে আমাদের জ্বালানি পরিকল্পনা কী হবে, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কী হবে— সেই প্রস্তাবনা আমরা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করব।’

আজ রবিবার দুপুরে বাঁশখালীর বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যের আগে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি এবং সাম্প্রতিক সময়ের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে গৃহ হস্তান্তর, আর্থিক অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে হেলিকপ্টারে বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে সকালে হেলিকপ্টারযোগে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘জ্বালানি পরিকল্পনার কাজ শুরু করব, স্কুল-কলেজ হোক, হাসপাতাল হোক, মিল-কারখানা হোক, বাসাবাড়ি হোক— যাতে মানুষ ঠিকভাবে বিদ্যুৎ পেতে পারে। গাড়িঘোড়া, মোটরসাইকেল— সবকিছুতে যাতে মানুষ ঠিকভাবে গ্যাস পেতে পারে, সেই পরিকল্পনা আমরা নিব।’

শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের পূর্বশর্ত হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘এই কাজগুলো যদি আমাদের করতে হয়, দেশের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়, বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করে মিল-কারখানা স্থাপন করতে হয়, তাহলে তার পূর্বশর্ত হচ্ছে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা থাকতে হবে। দেশে বিশৃঙ্খলা থাকলে চলবে না।’

আরও পড়ুন

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডন

০৯ আগস্ট ২০২৬

বাজারের উদাহরণ টেনে তিনি বলেছেন, ‘বাজারে যদি কোনো গণ্ডগোল হয়, দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। কেন বন্ধ হয়ে যায়? কারণ ব্যবসায়ীরা চান না গণ্ডগোলে তার ব্যবসার ক্ষতি হোক। ঠিক একইভাবে দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও চাইবেন, তাদের মিল-কারখানার উৎপাদিত পণ্য ঠিকভাবে বন্দর দিয়ে যেতে পারুক, কাঁচামাল সঠিকভাবে আসতে পারুক, রাস্তাঘাটে যেন শান্তি থাকে। মিল-কারখানা সঠিকভাবে না চললে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। তাই যারা শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় তাদের ব্যাপারে আমাদের সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে।’

চীনের বিনিয়োগ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘চীনকে আমরা একটি বিরাট বড় জায়গা দিয়েছি। চীন থেকে আমি ঘুরে এলাম। তাদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। সেখানে তারা কয়েকশ মিল-কারখানা তৈরি করবে। আর এই মিল-কারখানাগুলোতে সমগ্র চট্টগ্রামের মানুষ কাজ করার সুযোগ পাবে। এর ফলে একদিকে যেমন আমাদের বেকার সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে, একই সঙ্গে আমরা বহু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করব। এই অর্থ দিয়ে দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাত গড়ে তোলা হবে।’ উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ধাপে ধাপে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

বক্তব্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে সারা দেশে প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হবে, যার মধ্যে বাঁশখালী উপজেলায় ১০ থেকে ১২ হাজার পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় আসবে।

কৃষক কার্ডের আওতায় লবণচাষিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘লবণের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করে শিগগিরই তা ঘোষণা করা হবে।’

স্থানীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, ‘আপনাদের এই এলাকা চট্টগ্রাম থেকে আমরা সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দুজনকে দিয়েছি—একটি অর্থ মন্ত্রণালয়, অন্যটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যেই বিভাগে এরকম দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আছেন, সেই এলাকার বেড়িবাঁধ সুরক্ষা ও সার্বিক উন্নয়ন কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।’

প্ররোচনা ও বিভ্রান্তি এড়িয়ে দেশের উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না, বিভ্রান্তকারীদের প্ররোচনায় পা না দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। করব কাজ, গড়ব দেশ; সবার জন্য বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রীতারেক রহমানচট্টগ্রামবাঁশখালী
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়