ক্রিকেটার নাঈমকাণ্ড : পুলিশের ‘অপেশাদার আচরণ’ উঠে এলো তদন্তে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সঙ্গে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ‘অপেশাদার আচরণ’ করেছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এজন্য দায়ী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
আজ রবিবার বিকেলে তদন্ত কমিটির প্রধান নগর পুলিশের উপকমিশনার (পশ্চিম) আলমগীর হোসেন সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলীর কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেন।
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্থার ঘটনায় খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মোহাম্মদ রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
এ ছাড়া খুলশী থানার সে সময়ের ওসি আরিফ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে এ তিনজনসহ মোট চার পুলিশ সদস্যকে ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে।
তদন্তে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত অপর পুলিশ সদস্যের নাম প্রকাশে রাজি হননি সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী। তিনি বললেন, ‘অপেশাদার, নিয়ম-শৃঙ্খলা পরিপন্থী আচরণের জন্য কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।’
জানা যায়, গত ১২ জুন রাতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে নগরীর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফেরার পথে আটক করে খুলশী থানায় নিয়ে হেনস্থা করা হয়। বিমানবন্দর থেকে অটোরিকশায় করে নগরীর চান্দগাঁওয়ে বাসায় যাবার পথে লালখানবাজার এলাকায় উড়াল সড়কের মুখ থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। রাতে ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদের ফোন পেয়ে সিএমপির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা তাকে থানায় গিয়ে ছাড়িয়ে নেন।
পরদিন নাঈম হাসানের বাসায় গিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন সিএমপি কমিশনার। দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত কমিটি গঠন করে ১৮ জুন প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে আরও চার কার্যদিবস সময় বাড়িয়ে দেন।
এ ঘটনায় ক্রিকেটার নাঈমের ভাই কামরুল আলম দুই পুলিশ সদস্য ও সোর্স সোহেলকে আসামি করে মামলা করেছিলেন।





