ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলাকে ‘লাল কার্ড’ দেখাল সুয়াবিল-নাজিরহাট

ছবি: আগামীর সময়
নতুন অনুমোদন পাওয়া চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী নন সুয়াবিল ইউনিয়ন ও নাজিরহাট পৌরসভার বাসিন্দারা। সংবাদ সম্মেলন করে তাদের নতুন উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বৃহত্তর সুয়াবিল ইউনিয়ন অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম’।
আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।
এতে লিখিত বক্তব্য পড়েন সংগঠনটির মুখ্য সংগঠক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনজুরুল কিবরিয়া।
গত ১ জুলাই জাতীয় বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয় সংক্রান্ত কমিটির (নিকার) সভায় ফটিকছড়ি উপজেলাকে ভাগ করে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সুয়াবিল ইউনিয়ন ও নাজিরহাট পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডকে অন্তর্ভুক্ত আছে।
এর প্রতিবাদে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ মনজুরুল কিবরিয়া বললেন, ‘সুয়াবিল ইউনিয়ন থেকে প্রস্তাবিত উপজেলা সদর প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদর দূরত্ব মাত্র ৫ কিলোমিটার। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সাধারণ মানুষকে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে অহেতুক দুর্ভোগ পোহাতে হবে।’
উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এ সংক্রান্ত রিট, মাঠ প্রশাসনের সুপারিশ ও জনমতের বিষয়টি গোপন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানালেন অধ্যাপক কিবরিয়া।
সুয়াবিল ও নাজিরহাট পৌরসভাকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা থেকে বাদ না দিয়ে গণসমাবেশ, মানববন্ধন, বিক্ষোভসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়েছে।
এতে ফোরামের সংগঠক নুরুল হুদা, এস এম শফিউল আলম এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।





