Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় মানুষের পাশে সরোয়ার
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

দৃষ্টির বাধা ডিঙিয়েছে তারা ৬ জন

প্রণব বল, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৬
দৃষ্টির বাধা ডিঙিয়েছে তারা ৬ জন

ছবি: আগামীর সময়

ইয়াসমিনের ঘরে আজ খুশির বন্যা। তার দুই ছেলেমেয়ে এসএসসি পাস করেছে। জিপিএ ৫ লাগবে না তার। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী দুই সন্তান পাস করেছে, এতেই তার আনন্দ। অনেক বাধা-বিপত্তি ডিঙিয়ে আজ তার দুই সন্তান সাফল্যের মুখ দেখেছে। তাই তো ফল ঘোষণার পর তিনি মিষ্টি নিয়ে ছুটছেন শ্রুতলেখকদের ঘরে।

তার দুই সন্তান হলো মারুফুর রহমান ও রূপসা খানম। নগরের রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তারা এবার এসএসসি পাস করেছে। একই স্কুল থেকে এবার আরও চার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছে। মানবিক বিভাগের এই ছয় শিক্ষার্থী প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় পাস করেই আনন্দিত। খুশি তাদের অভিভাবকরাও।

পাস করা শিক্ষার্থীরা হলো- খাইরুল ইসলাম বাদশা (জিপিএ ২ দশমিক ৩৯), মোহাম্মদ হাবিবুল হক (২ দশমিক ৬৭), লাকি আক্তার (৩ দশমিক ৬১) ও মো. মিনহাজ উদ্দিন (২ দশমিক ৮৩)। দুই ভাইবোন মারুফ জিপিএ ২ দশমিক ৮৯ এবং রূপসা জিপিএ ২ দশমিক ৭৮ পেয়েছে।

মারুফ ও রূপসার মা ইয়াসমিন বললেন, ‘ফলাফলে অনেক খুশি হয়েছি। আমরা গরিব মানুষ। ভালোমন্দ খেতে দিতে পারিনি তাদের। পাসের আনন্দে অনেক কিছু খেতে দিতে মন চায়; কিন্তু পারি না। এখন শ্রুতলেখকদের বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাচ্ছি।’

জানা গেল, মারুফ সাত বছর বয়স থেকে চোখে দেখতে পায় না। হালকা দৃষ্টি থাকলেও তা পড়া কিংবা লেখার জন্য যথেষ্ট নয়। তার বোন রূপসা জন্ম থেকে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তাদের বড় ভাইটির অবশ্য এ সমস্যা নেই। তিনি স্নাতকে পড়ছেন।

মারুফ বলছিল, ‘অনেক কষ্ট করেছি এই পরীক্ষার জন্য। গত বছর আমরা পরীক্ষার্থী ছিলাম; কিন্তু শ্রুতলেখকের অভাবে প্রথম পরীক্ষা দিতে পারিনি। পরের পরীক্ষাগুলো দিলেও ফলাফল ভালো হয়নি। এবার শ্রুতলেখকের সাহায্যে পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছি। খুব ভালো লাগছে।’

এখানেই শেষ নয়, আরও পড়াশোনা করতে চায় মারুফ ও রূপসা। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করতে চায়। তাদের মা ইয়াসমিনও চান সাধ্যমতো পড়াশোনা করাতে। তবে সেখানে রয়েছে অনেক ধরনের বাধা। তাই এসব ডিঙাতে তিনি সহযোগিতা চান প্রতিষ্ঠান ও সচেতন মহলের।

ইয়াসমিন বললেন, ‘মুরাদপুর সরকারি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী স্কুল থেকে একসময় সব শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়া হয়। আমরা অথৈ সাগরে পড়ে যাই। পরে রহমানিয়া স্কুলেও নানা সমস্যায় পড়তে হয়। গত বছর কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতার কারণে বাচ্চারা ঠিকমতো পরীক্ষায় বসতে পারেনি। এ প্লাস দরকার নেই। পাস করেছে, তাতেই খুশি। তাদের আরও পড়াতে চাই।’

রহমানিয়া স্কুল থেকে গতবারও এই ছয় শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু শ্রুতলেখকের অভাবে সেবার পরীক্ষা ঠিকমতো দিতে পারেনি। এবার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তাদের হয়ে পরীক্ষার খাতায় লিখেছে। পাশে বসে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এসব পরক্ষার্থী। হাটহাজারীর ধলইয়ের হাবিবুল হক রাতুল এসএসসি পাস করে দারুণ খুশি। সে আরও পড়তে চায় বলে জানাল।

অন্যদিকে পাস করেছে তিন বোনের একমাত্র ভাই দৃষ্টিহীন মিনহাজ উদ্দিন। তিন বোন সুস্থ-স্বাভাবিক হলেও মিনহাজ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তাই মিনহাজের সাফল্যে পরিবারটিতে খুশির বন্যা বইছে। মিনহাজ বলল, ‘অনেক সংগ্রাম করে আমাদের পড়তে হয়। অনেক বাধা। তাই সবাই খুশি হয়েছে। ভবিষ্যতে আমি শিক্ষক হতে চাই।’

হামজারবাগের খায়রুল ইসলাম বাদশা ২ দশমিক ৩৯ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। ছয়জনের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছে হামজারবাগের লাকি আক্তার। সে জিপিএ ৩ দশমিক ৬১ পেয়েছে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে লাকি তৃতীয়। তার বড় বোন মরিয়ম আক্তার সাথীও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি এখন স্নাতকে পড়ছেন।

লাকি শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখে। সে বলল, ‘আমরা অষ্টম শ্রেণির শ্রুতলেখক নিয়ে যে ফল করেছি, তাতেই খুশি। আমাদের প্রতি পদে বাধা-বিপত্তি ছিল। ছিল অসহযোগিতা। আমার সাফল্যে মা-বাবা সবাই খুশি।’ ভবিষ্যতে শিক্ষক হতে চায় বলেও জানাল সে।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীএসএসসি পরিক্ষার্থীএসএসসির ফল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    কোন দেশের আপত্তিতে আটকাল রূপপুরের জ্বালানি

    কোন দেশের আপত্তিতে আটকাল রূপপুরের জ্বালানি

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    চাকরি আজ আছে কাল নেই, ৭ কোটি বেসরকারির ঝুঁকির জীবন

    চাকরি আজ আছে কাল নেই, ৭ কোটি বেসরকারির ঝুঁকির জীবন

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    দুই কিডনি ছিল অকেজো, মায়ের স্বপ্ন পূরণে মৃত্যুকে হারিয়ে জজ হলেন তাইজুল

    দুই কিডনি ছিল অকেজো, মায়ের স্বপ্ন পূরণে মৃত্যুকে হারিয়ে জজ হলেন তাইজুল

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    বান্দরবানের ৪ প্রধান পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

    বান্দরবানের ৪ প্রধান পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

    সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর

    সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর

    তাদের জন্মই হয়নি তবু জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদ

    তাদের জন্মই হয়নি তবু জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদ

    ঘোষণার ২৯ বছর পরও হয়নি বানিয়াচং পর্যটনকেন্দ্র

    ঘোষণার ২৯ বছর পরও হয়নি বানিয়াচং পর্যটনকেন্দ্র

    জাসদ কার্যালয় থেকে সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্যসহ আটক অর্ধশতাধিক

    জাসদ কার্যালয় থেকে সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্যসহ আটক অর্ধশতাধিক

    বরিশালে নাশকতার বৈঠকের অভিযোগে আ.লীগের ১২ নেতাকর্মী আটক

    বরিশালে নাশকতার বৈঠকের অভিযোগে আ.লীগের ১২ নেতাকর্মী আটক

    মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, মামলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, মামলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে