ডেঙ্গু বাড়ছে, মশক নিধনে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মশক নিধন
ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। নগরের ১৯টি ওয়ার্ডকে নজরদারিতে এনে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মশক নিধন অভিযান।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু এই ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চলবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মশক নিধনের পাশাপাশি প্রজননস্থল শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে মাঠে থাকবে ভ্রাম্যমাণ আদালতও।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নগরের আন্দরকিল্লায় মশক নিধন কার্যক্রম চলাকালে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকাগুলোতে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানো হচ্ছে। দিনে স্প্রে ও বিকলে ফগিংয়ের পাশাপাশি মশার প্রজননস্থলগুলোও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
তিনি বললেন, ‘মশক নিধনে আমরা পরিবেশবান্ধব জৈব কীটনাশক (বিটিআই) ওষুধ ব্যবহার করছি। আশা করছি ভালো ফল পাওয়া যাবে। এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।’
কর্মসূচির প্রথম দিন আন্দরকিল্লা, ফিরিঙ্গিবাজার ও পাথরঘাটা ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিম মাদারবাড়ী, পূর্ব মাদারবাড়ী ও আলকরণ, ৭ সেপ্টেম্বর পশ্চিম বাকলিয়া, পূর্ব বাকলিয়া ও দক্ষিণ বাকলিয়ায় অভিযান চলবে।
৮ সেপ্টেম্বর রামপুর, উত্তর হালিশহর ও দক্ষিণ কাট্টলী এবং ৯ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী, জালালাবাদ ও পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ১০ সেপ্টেম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ও দক্ষিণ হালিশহর এবং ১২ সেপ্টেম্বর উত্তর পাহাড়তলী ও উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে অভিযান চালানো হবে।
মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কারের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, চলতি মাসের প্রথম তিনদিনে নগরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২০৫ জন। গত মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ছিল ১ হাজার ২০২ জন। দুই মাসে ডেঙ্গুতে মারা যায় ৩ জন।





