Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় এই দিনে

রকিব হাসানের জন্য ভালোবাসা

ইশতিয়াক হাসান
ইশতিয়াক হাসান
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৫৬
রকিব হাসানের জন্য ভালোবাসা

রকিব হাসানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজকের এইদিনে, ঠিক এক বছর আগে অর্থাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৫ সালে, হঠাৎ এক খবরে ঝাপসা হয়ে এসেছিল চোখ। যদিও অনুমান করেছিলাম খবরটা শুনতে হবে। তারপরও খবরটা সহ্য করা ছিল কঠিন। ওই দিন রহস্য আর রোমাঞ্চে ভরা এক জাদুকরীজগৎ গড়ে দিয়ে বাঙালির শৈশবের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠা মানুষটি সেদিন পাড়ি জমিয়েছিলেন অনন্তের দেশে। তিন গোয়েন্দার অমর স্রষ্টা রকিব হাসান আর নেই, এই সত্যটি আজও মেনে নিতে কষ্ট হয় কোটি ভক্তের। বাংলা কিশোর সাহিত্যের ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর জনক রকিব হাসানের প্রথম প্রয়াণবার্ষিকীতে তাই স্মৃতির পাতা উল্টানোতেই আনন্দ। তার রেখে যাওয়া সৃষ্টির সৌরভ আর অ্যাডভেঞ্চারের সুবাস আজও আমাদের তন্দ্রাচ্ছন্ন শৈশবের সোনালি দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। আমাকেও ঠিক তেমনি। এখন যেমন বারবার মনে পড়ছে বাসাবোর বাসায় কিংবা সেবা প্রকাশনীতে তার সঙ্গে দেখা করার স্মৃতি, হারানো উপত্যকার মাধ্যমে তিন গোয়েন্দার রহস্য-রোমাঞ্চজগতে প্রবেশের সেই নাটকীয় সময়টির কথা।
তিন গোয়েন্দা সিরিজের প্রথম বই তিন গোয়েন্দা
১৯৫০ সালের ১২ ডিসেম্বর কুমিল্লায় জন্ম নেওয়া এই মানুষটির শৈশব ও কৈশোর কেটেছিল ফেনীতে। স্কুলজীবনের পাঠ চুকিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে। কিন্তু নিয়তির অদ্ভুত ইশারায় তার জীবনের সবচেয়ে বড় অধ্যায়টি লেখা হওয়ার অপেক্ষায় ছিল অন্য কোথাও। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিন গোয়েন্দার মাধ্যমে সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার কাজী আনোয়ার হোসেনের হাত ধরে বাংলা কিশোর পাঠকদের বইয়ের জগতে যে বিপ্লব ঘটেছিল, তার কারিগর ছিলেন এই রকিব হাসান। নিরিবিলিতে লিখতে ভালোবাসতেন, নিজের মতো করে কলম চালাতেন কাগজের পাতার পর পাতা। কিন্তু একঘেয়েমি কাটাতে তখনই তার মাথায় আসে কিশোরদের জন্য উপযোগী একটি গোয়েন্দা সিরিজ তৈরির অভাবনীয় এক ভাবনা।


সেদিন দুপুরে সেবা প্রকাশনীর টেবিলে পড়ে থাকা ধুলোমাখা একটি বিদেশি কিশোর অ্যাডভেঞ্চারের বই উসকে দিয়েছিল রকিব হাসানের কৌতূহলকে। সেই বইটির ইংরেজি নামটির তেরোটি শব্দ তাকে ভাবিয়ে তুলেছিল, কুসংস্কারে বিশ্বাস না করলেও সেই ‘আনলাকি থার্টিন’ সংখ্যাটিই একদিন তার জীবনের সবচেয়ে বড় লাকি টার্ন হয়ে ধরা দেবে, তা কে জানত? বইটির প্রথম পাতা থেকেই গল্পের এমন এক অদ্ভুত নেশা পেয়ে বসেছিল, যা তিনি এক বসায় শেষ করেছিলেন। সেই পড়ার আনন্দ আর ঘোরের মাঝেই তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন ছোটবেলার অধরা স্বপ্নগুলোকে। ছোটবেলায় দস্যু মোহন কিংবা শরদিন্দুর গল্প পড়ে বড় হলেও ছোটদের উপযোগী খাঁটি রোমাঞ্চকর গোয়েন্দা সিরিজের অভাব তিনি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন। তখনই তার মনে কড়া নেড়েছিল এক নতুন ভাবনা, আমাদের দেশের কিশোরদের জন্যও কি এমন কিছু সৃষ্টি করা যায় না?

নিজের এই অভাবনীয় ভাবনার কথা তিনি ভাগ করে নিয়েছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে। প্রকাশনাজগতের জহুরি কাজী সাহেব তক্ষণাৎ রাজি হয়ে যান। আর ঠিক এর পরই লেখা শুরু হয় সেই জাদুকরী সিরিজের প্রথম বই। ১৯৮৫ সালের আগস্ট মাসে সেবা প্রকাশনী থেকে যখন প্রকাশিত হলো ‘তিন গোয়েন্দা’, তখনো কেউ কল্পনা করতে পারেনি যে এই বইটি বাংলা ভাষার প্রকাশনাজগতে এক যুগান্তকারী ইতিহাস সৃষ্টি করতে যাচ্ছে। বইটির পাতা খুললেই পাঠকরা যেন এক নিমেষে প্রবেশ করত রহস্য আর রোমাঞ্চের এক অচেনা রাজ্যে। কিশোর, মুসা আর রবিন নামের তিন কিশোর চরিত্র যেন কোনো বইয়ের পাতায় বন্দি কাল্পনিক চরিত্র ছিল না, তারা হয়ে উঠেছিল এদেশের প্রতিটি অলিগলির কিশোর-কিশোরীদের একেবারে ঘরের মানুষ, নিজেদের বন্ধু।

প্রথম বই প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই দেশ জুড়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি হয়েছিল, তা আজও বাংলা প্রকাশনাশিল্পের এক অনন্য রেকর্ড হয়ে আছে। চিঠির পর চিঠি আর ফরমাসের বন্যায় ভেসে গিয়েছিল সেবা প্রকাশনীর ডাকবাক্স। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রতি মাসেই নিয়মিত প্রকাশিত হতে লাগল একেকটি নতুন অভিযান। কঙ্কাল দ্বীপ, রুপালি মাকড়সা, ছায়াশ্বাপদ, মমি কিংবা ঘড়ির গোলমাল। প্রতিটি বই পাঠকদের কাছে একেকটি নতুন রোমাঞ্চের হাতছানি হয়ে ধরা দিত। লাখ লাখ কিশোর-কিশোরী রাত জেগে মোমবাতির আলোয় বা টেবিল ল্যাম্পের নিচে কম্বলের নিচে লুকিয়ে বইয়ের পাতায় ডুবে থাকত। রকি বিচের পাশা স্যালভেজ ওয়ার্ডের ভাঙারির স্তূপ থেকে শুরু করে রহস্যময় বাড়ি-গুহা কিংবা ভুতুড়ে প্রাসাদে কিশোরদের সঙ্গে ছুটে বেড়াত বাংলার পাঠকরা।


অনেকেই হয়তো জানেন না, এই বিখ্যাত ত্রয়ীর নেপথ্যে কাজ করেছিল রবার্ট আর্থার জুনিয়রের মার্কিন কিশোর গোয়েন্দা সিরিজ ‘দ্য থ্রি ইনভেস্টিগেটরস’। ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত যার প্রথম বই ‘দ্য সিক্রেট অব টেরর ক্যাসল’ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছিলেন রকিব হাসান। এই সত্য কখনোই তিনি বা তার প্রকাশক লুকিয়ে রাখেননি। আলফ্রেড হিচককের নামে লেখা সেই বিদেশি কাহিনিগুলোকে রকিব হাসান সম্পূর্ণ নিজের মতো করে, দেশীয় আবহ, সংস্কৃতি আর নিজস্ব সৃজনশীলতার জাদুতে রূপান্তর করেছিলেন। মূল সিরিজের জুপিটার জোনস, পিট ক্রেনশো ও ববের মার্কিন ছাঁচকে তিনি যেভাবে আমাদের কিশোর পাশা, মুসা আমান ও রবিন মিলফোর্ডে রূপ দিলেন, তা কেবল একজন দক্ষ রূপকার পক্ষেই সম্ভব ছিল। বিদেশি গল্পের কাঠামো হলেও তার সাবলীল ও প্রাণবন্ত গদ্যশৈলী তা হয়ে উঠেছিল খাঁটি দেশীয় রোমাঞ্চের স্বাদযুক্ত।

রকিব হাসান কেবল তিন গোয়েন্দার মাঝেই নিজের প্রতিভার গণ্ডি আটকে রাখেননি। তিনি লিখেছেন অত্যন্ত জনপ্রিয় গোয়েন্দা ‘রাজু সিরিজ’। এর পাশাপাশি তার সুনিপুণ অনুবাদ ও রূপান্তরে বাংলাভাষী পাঠকরা লাভ করেছিল বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সব রত্ন। আরব্য রজনী, ড্রাকুলা, টারজান, সলোমনের গুপ্তধন, প্রবাল দ্বীপ, বারমুডা ট্রায়াঙ্গল ও ট্রেজার আইল্যান্ডের মতো ক্লাসিক সব রোমাঞ্চকর বই তার কল্যাণে সহজ বাংলায় বাঙালির ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিল। বিশেষ করে তার রূপান্তর করা ট্রেজার আইল্যান্ড বইয়ের, ‘সিন্দুকটা মরা মানুষের, চড়াও হলো পনেরো নাবিক’ গানটি এখনো কানে বাজে আমার। তার রূপান্তর করা কেনেথ এন্ডারসন আর জিম করবেটের শিকার কাহিনি আমাকে বন্য প্রাণীপ্রেমী হয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। সেবা প্রকাশনীর সেই সোনালি যুগে কাজী আনোয়ার হোসেন ও শেখ আবদুল হাকিমের পাশাপাশি রকিব হাসানও হয়ে উঠেছিলেন একটি জীবন্ত কিংবদন্তি, যার নাম শুনলেই যেকোনো কিশোরের বুক গর্ব ও উত্তেজনায় ফুলে উঠত। অনেকের জানা নেই কেবল দুটি ওয়েস্টার্ন লিখলেও সেবা থেকে বাংলায় এ সিরিজ চালুর আইডিয়া তার মাথাতেই প্রথম আসে।


আশির দশকের শেষ বা নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে ঢাকার তিলপাপাড়ায় রকিব হাসানের বাসভবন ছিল যেন কিশোর পাঠকদের এক তীর্থস্থান। লেখকের বাসস্থানের সামনে ভিড় জমানো স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বিশেষ করে অষ্টম-নবম শ্রেণির কিশোরী পাঠকদের অটোগ্রাফের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার দৃশ্য ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। রকিব হাসানের ছেলে রাহিদ হাসানের স্মৃতিচারণায় আজও সেই সোনালি দিনের সোনালি রোদের ঝিলিক দেখতে পাওয়া যায়। বইয়ের পাতায় লেখকের সই নিয়ে খুশিতে গদগদ হয়ে বাড়ি ফেরার সেই আনন্দ আজকের যান্ত্রিক যুগে এক রূপকথার গল্পের মতো মনে হয়। অথচ সেই মানুষটিই জীবনভর প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে ভালোবেসেছিলেন। নিজের ঢোল নিজে পেটানোর বিন্দুমাত্র প্রবণতা তার ছিল না; নীরবে নিভৃতে নিজের লেখার টেবিলে বসে তিনি কেবল জন্ম দিয়ে গেছেন একের পর এক স্বপ্নের রাজ্য।

২০০২ সালের পর সেবা প্রকাশনীর বাইরেও তিনি কিছু লেখালেখি করেছেন। কিশোর, রবিন, মুসাকে নিয়ে বই প্রকাশ পেয়েছে কথামাথা, প্রথমা, কথাপ্রকাশসহ আরও বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে। কিন্তু জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তার নামের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ছিল সেবা প্রকাশনী ও ‘তিন গোয়েন্দা’। কিডনির জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে জীবনের শেষ বছরগুলোতে তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের মধ্য দিয়ে যেতে হতো। অবশেষে ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর দুপুরে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে চিরতরে থেমে যায় সেই কলম, যা একসময় কাঁপিয়ে দিয়েছিল বাংলার লাখো তরুণের বুক। তিলপাপাড়ার ফ্লাইওভারের ধারের মহাসড়ক জামে মসজিদে যখন তার জানাজা হয়, তখন হাজারো ভক্তের হ্নদয়ে রক্ত ঝরছিল নীরবে।

রকিব হাসান ছিলেন একঝাঁক বাঙালির শৈশবের কারিগর। যতদিন কিশোর, মুসা আর রবিনের কোনো বইয়ের পাতা উল্টাবে নতুন প্রজন্মের কোনো কৌতূহলী পাঠক, ততদিন এই রহস্যের রাজপথে এক কিংবদন্তি হয়ে বেঁচে থাকবেন আমাদের প্রিয় রকিব হাসান। আর আমার শুধু মনে পড়ছে বছর কয়েক আগে যখন তার সঙ্গে ফোনে কথা হয়, বলেছিলেন তোমার জন্য কয়েকটি বই রেখেছি, নিয়ে যেয়ো। কিন্তু তার সঙ্গে আর দেখা হয়নি, বইগুলো নেওয়ারও সুযোগ হয়নি।

তিন গোয়েন্দারকিব হাসানসেবা প্রকাশনী
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি