ইসরায়েলে নতুন সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি আইজেনকটের

সংগৃহীত ছবি
নির্বাচনের বুথফেরত জরিপ অনুসারে সরকার গঠনের লড়াই আরও জটিল হয়ে উঠল ইসরায়েলে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে পিছিয়ে থাকায় তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সম্ভাবনা। এ পরিস্থিতিতে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটের দাবি, জনতা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তার প্রতিশ্রুতি, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এমন একটি সরকার গঠনের চেষ্টা করবেন, যা দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করবে। তবে ভোটের প্রাথমিক হিসাব বলছে, আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া তার পক্ষে সরকার গঠন কঠিন।
গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন। স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করে দেশটির বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল। তাতে প্রথমে আইজেনকটের শিবিরকে এগিয়ে রাখা হলেও ভোট গণনা এগোতেই বদলে যায় ছবিটা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, ৯১-৯৩ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে আসনসংখ্যায় পরিবর্তন হতে পারে। সর্বশেষ আংশিক ফলাফল (বেসরকারি) বলছে, ২৬টি আসনে এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ।
সব মিলিয়ে নেতানিয়াহুর জোটের সম্ভাব্য আসন ৫৩, আইজেনকটের শিবিরের ৪৮ এবং আরব দলগুলোর ১৯। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১২০ আসনের নেসেটে অন্তত ৬১টি আসন। ফলে আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে বিরোধী শিবির সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছাতে পারে। কিন্তু বিরোধী জোটের অধিকাংশ ইহুদি দল আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনে আপত্তি জানিয়েছে। এই রাজনৈতিক মতবিরোধই আইজেনকটের সামনে এখন সবচেয়ে বড় বাধা।
তেল আবিবে দলের সদর দপ্তরে আইজেনকট বলেছেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়েছি।’ তার অভিযোগ, মিথ্যা, ব্যর্থতা ও বিভাজনের রাজনীতিতে মানুষ ক্লান্ত। তিনি সবার জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা চালু, হামাসকে ভেঙে দেওয়া এবং ইজরায়েলের ইহুদি ও গণতান্ত্রিক পরিচয় রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেন। নিরাপত্তা সংস্থা ও সরকারি কর্মীদের রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে রাষ্ট্র ও নাগরিকদের স্বার্থে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। আইজেনকট আরও বলেছেন, মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে। নেতানিয়াহুর উচিত জনতার রায় মেনে



