Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর ধরে বর্জ্যমুক্ত রাখছেন রাস্তা-বাজার
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

ছুটির পাঠ

বিশ্বযুদ্ধের ছাই থেকে যেভাবে জাতিসংঘের জন্ম

  • ২৬ দেশ থেকে ৫১ প্রতিষ্ঠাতা, আজ ১৯৩ সদস্য। লন্ডনের সভাকক্ষ থেকে ব্রঙ্কসের কলেজ, লং আইল্যান্ডের কারখানা থেকে ম্যানহাটনের কসাইখানা। তারপর ইস্ট রিভারের ধারে কাচ, ইস্পাত আর মার্বেলে গড়ে ওঠে পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত কূটনৈতিক ঠিকানা। আট দশকে বদলেছে জাতিসংঘ, বদলেছে তার ভবনও। কিন্তু যে প্রশ্ন নিয়ে জন্ম হয়েছিল, যুদ্ধ থামানো যাবে কি না, সেই প্রশ্ন আজও শেষ হয়নি।
ইরফান রহমান
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৭
বিশ্বযুদ্ধের ছাই থেকে যেভাবে জাতিসংঘের জন্ম

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

যুদ্ধ শেষ হলে ধ্বংসস্তূপে শুধু মৃতেরা পড়ে থাকে না। পড়ে থাকে একটি প্রশ্নও, আবার কি এমন হবে?

ইতিহাসের কিছু মুহূর্ত আছে, যখন একটি সভ্যতা নিজের দিকে ফিরে তাকায়। নিজের ক্ষত, নিজের ভুল, নিজের ধ্বংসের দিকে তাকিয়ে মানুষ নিজেকেই প্রশ্ন করে, এত রক্ত, এত কান্না, এত শোকের পরও কি আমরা আবার সেই পথেই ফিরব?

১৯৪৫ সালে পৃথিবী ঠিক এই প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়েছিল। ইউরোপের অসংখ্য শহর তখন ধ্বংসস্তূপ। এক সময়কার ব্যস্ত রাস্তাগুলো ভরে গেছে ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের ধুলোয়। ঘরহারা মানুষের দীর্ঘ সারি ছুটে বেড়াচ্ছিল নিরাপত্তার খোঁজে। কোটি কোটি প্রাণহানির ক্ষত তখনো শুকায়নি। আর হিরোশিমা ও নাগাসাকির আকাশে পারমাণবিক বিস্ফোরণের আগুন মানুষকে প্রথমবারের মতো দেখিয়ে দিয়েছিল, সভ্যতা নিজের হাতেই নিজের ধ্বংসের অস্ত্র তৈরি করেছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুধু শহর ভাঙেনি, ভেঙে দিয়েছিল পুরনো বিশ্বব্যবস্থার ভিতও। সাম্রাজ্যের শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ছিল। অর্থনীতি বিপর্যস্ত। কোটি মানুষ উদ্বাস্তু। পৃথিবীর নেতারা বুঝতে শুরু করেছিলেন, শুধু একটি যুদ্ধ জেতা যথেষ্ট নয়। জিততে হবে শান্তিকেও। কারণ যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ভয় ছিল আরেকটি যুদ্ধ। আরেকটি প্রজন্ম। আরেকটি ধ্বংসস্তূপ। তাই প্রয়োজন হয়েছিল এমন একটি জায়গার, যেখানে রাষ্ট্রগুলো অস্ত্র তোলার আগে কথা বলবে। যেখানে বিরোধের আগে আলোচনার টেবিল থাকবে। যেখানে সংঘাতের অন্ধকার নামার আগে কূটনীতির শেষ আলোটি জ্বলবে। সেই প্রয়োজন থেকেই জন্ম নেয় জাতিসংঘ। তবে জাতিসংঘের জন্ম কোনো একদিনের ঘটনা ছিল না। এটি ছিল কয়েক বছরের যুদ্ধ, ভয়, আশা এবং কূটনৈতিক দরকষাকষির ফল।

একটি নামের জন্ম, এক স্বপ্নের শুরু

জাতিসংঘের ধারণা কোনো এক ব্যক্তির একক সৃষ্টি নয়। তবে আধুনিক জাতিসংঘের ধারণার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের নাম গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট আটলান্টিক সনদে রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল যুদ্ধের পর একটি নতুন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তখনো ‘ইউনাইটেড নেশনস’ নামে কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না। কিন্তু ভবিষ্যৎ পৃথিবীর একটি স্বপ্ন তখন শব্দ পেতে শুরু করেছে।

রুজভেল্ট বিশ্বাস করতেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তৈরি হওয়া লিগ অব নেশনসের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। শান্তি রক্ষার জন্য প্রয়োজন এমন একটি সংগঠন, যার পেছনে থাকবে বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলোর সম্মিলিত প্রতিশ্রুতি।

গ্রাফিকস: আগামীর সময়১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে ২৬টি দেশ ডিক্লারেশন বাই ইউনাইটেড নেশনসে স্বাক্ষর করে। এখানেই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ইউনাইটেড নেশনস’ নামটি ব্যবহৃত হয়। এ দেশগুলো অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করে এবং শত্রুর সঙ্গে আলাদা শান্তিচুক্তি না করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

১৯৪৩ সালের মস্কো ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন স্বীকার করে, যুদ্ধ শেষে একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক সংগঠন প্রয়োজন। একই বছরের তেহরান সম্মেলনে রুজভেল্ট, চার্চিল ও সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্তালিন যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন।

রুজভেল্টের ভাবনায় ছিল এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে সব দেশের একটি সাধারণ পরিষদ থাকবে এবং শান্তি রক্ষার জন্য একটি কার্যকর ছোট কাঠামো থাকবে। এই চিন্তাই পরে ‘ফোর পুলিশমেন’ ধারণার সঙ্গে যুক্ত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন হবে আন্তর্জাতিক শান্তির প্রধান রক্ষক।

১৯৪৪ সালের আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ওয়াশিংটনের ডামবার্টন ওকসে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যৎ সংগঠনের কাঠামো তৈরি করেন। সাধারণ পরিষদ থাকবে। নিরাপত্তা পরিষদ থাকবে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতার ব্যবস্থা থাকবে। থাকবে আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থা।

তবে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন ছিল ক্ষমতার ভারসাম্য— ভেটো। ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইয়াল্টা সম্মেলনে রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্তালিন নিরাপত্তা পরিষদের ভোটপদ্ধতি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছান। এই ভেটো ব্যবস্থা পরবর্তী আট দশকে জাতিসংঘকে একই সঙ্গে শক্তিশালী করেছে, আবার বহু সংকটে অচলও করেছে।

অর্থাৎ জাতিসংঘ কোনো এক মানুষের সৃষ্টি নয়। এটি ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীর সম্মিলিত ভয় এবং শান্তির জন্য মানুষের দীর্ঘ অনুসন্ধানের ফল।

সান ফ্রান্সিসকোতে ৫০, প্রতিষ্ঠাতা ৫১

১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল, সান ফ্রান্সিসকো। পৃথিবী তখনো যুদ্ধের মধ্যে। ইউরোপে ধোঁয়া উঠছে। এশিয়ায় লড়াই চলছে। কিন্তু সেই সময়ই একটি অন্য ধরনের যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, একটি নতুন পৃথিবী তৈরি করার যুদ্ধ। শুরু হয় ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন। ৫০টি দেশের প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হন। প্রায় ৮৫০ জন প্রতিনিধি, অসংখ্য উপদেষ্টা ও কর্মী মিলে তৈরি হয় বিশাল আয়োজন।

১০টি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন এবং প্রায় ৪০০ কারিগরি বৈঠকে তৈরি হয় জাতিসংঘ সনদ। সনদের প্রতিটি শব্দ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। কোথাও একটি বাক্য, কোথাও একটি কমা। কারণ সবাই জানত, এটি শুধু একটি দলিল নয়। এটি যুদ্ধের পর মানুষের ভবিষ্যতের নকশা।

২৫ জুন সান ফ্রান্সিসকো অপেরা হাউজে সনদ অনুমোদিত হয় পরদিন, ২৬ জুন, ভেটেরানস ওয়ার মেমোরিয়াল বিল্ডিংয়ের হার্বস্ট থিয়েটারে ৫০ দেশের প্রতিনিধিরা সনদে স্বাক্ষর করেন। সনদের শুরু হয়েছিল এক ঐতিহাসিক বাক্যে, ‘আমরা, জাতিসংঘের জনগণ’। রাষ্ট্রের নামে তৈরি একটি প্রতিষ্ঠান তার জন্মলগ্নেই শুরু করেছিল মানুষের নামে।

তবে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের সংখ্যা ছিল ৫০ নয়, ৫১। পোল্যান্ড পরে ১৫ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে সনদে স্বাক্ষর করে। আজ সেই সংখ্যা ১৯৩। সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান, ২০১১ সালের ১৪ জুলাই।
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। সেই দিনটি এখন জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

শুরুতে জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গ ছিল— সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, আন্তর্জাতিক বিচার আদালত, ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল, সচিবালয়।
সময় বদলেছে; পৃথিবীর মানচিত্র বদলেছে। নতুন রাষ্ট্র জন্মেছে; আর জাতিসংঘও বদলেছে সময়ের সঙ্গে।

লন্ডন, ব্রঙ্কস, লেক সাকসেস, তারপর ম্যানহাটন

আজ জাতিসংঘ মানেই নিউ ইয়র্ক। ইস্ট রিভারের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা সবুজ কাচের দীর্ঘ ভবন, সামনে সারি সারি পতাকা, ভেতরে রাষ্ট্রপ্রধানদের পদচারণা, এই ছবিই যেন বিশ্বের মানুষের কাছে জাতিসংঘের পরিচয়। কিন্তু এই ঠিকানায় পৌঁছাতে জাতিসংঘকে পাড়ি দিতে হয়েছিল দীর্ঘ এক পথ।

শুরুটা হয়েছিল লন্ডনে। ১৯৪৬ সালের ১০ জানুয়ারি ওয়েস্টমিনস্টার সেন্ট্রাল হলে বসেছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন। যুদ্ধশেষের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে ৫১ দেশের প্রতিনিধিরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন একটি অসম্ভব স্বপ্ন নিয়ে। যে পৃথিবী যুদ্ধ দেখেছে, সেই পৃথিবীকেই শান্তির পথে ফেরানোর চেষ্টা।

প্রথম নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক হয় ১৭ জানুয়ারি চার্চ হাউজে। প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন নরওয়ের ট্রিগভে লি। কিন্তু জাতিসংঘের তখনো কোনো নিজস্ব ঘর ছিল না; ছিল না স্থায়ী ঠিকানা। ছিল শুধু একটি ধারণা এবং সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার অদম্য চেষ্টা।

সদর দপ্তরের জন্য নানা শহরের নাম আলোচনায় এসেছিল। সান ফ্রান্সিসকো, ফিলাডেলফিয়া, বোস্টন, এমনকি কানেটিকাটের বিভিন্ন স্থানও বিবেচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত ইতিহাস থামে নিউ ইয়র্কে।

প্রথম অস্থায়ী ঠিকানা হয় ব্রঙ্কসের হান্টার কলেজে। সেখানে একটি কলেজ জিমনেসিয়ামকে অল্প সময়ের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠককক্ষে রূপান্তর করা হয়। বিশ্বশান্তির সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল কোনো রাজপ্রাসাদ থেকে নয়, একটি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঘর থেকে।

এরপর জাতিসংঘের প্রশাসনিক কেন্দ্র চলে যায় লং আইল্যান্ডের লেক সাকসেসে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি শিল্প কমপ্লেক্স তখন হয়ে ওঠে বিশ্ব কূটনীতির অস্থায়ী কর্মশালা ৷ সেখানেই মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার খসড়ার বড় অংশ তৈরি হয়। সেখানেই শুরু হয় নতুন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নানা কাজ।

তারপর আসে সেই জায়গা, যেখানে ইতিহাসের এক অসাধারণ বৈপরীত্য অপেক্ষা করছিল। ম্যানহাটনের ইস্ট রিভারের তীর।

কসাইখানা থেকে কাচের প্রাসাদ

ইতিহাসের কিছু জায়গা আছে, যাদের অতীত আর বর্তমান পাশাপাশি দাঁড়ালে সময় নিজেই যেন বিস্মিত হয়।

আজ যেখানে বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো বসে যুদ্ধ থামানোর পথ খোঁজে, যেখানে শান্তির ভাষা লেখা হয়, যেখানে কূটনীতির কঠিন সমীকরণগুলো সমাধানের চেষ্টা চলে, সেই জায়গাটিই এক সময় ছিল ম্যানহাটনের একটি সাধারণ শিল্পাঞ্চল।

প্রায় ১৮ একর জমি। কসাইখানা। ছোট ছোট কারখানা। শ্রমিকদের বসতি। রেলপথ। পণ্যবাহী বার্জের ঘাট। জায়গাটির অতীতের সঙ্গে বর্তমানের যেন কোনো মিলই নেই।

ইতিহাসের ব্যঙ্গ কখনো কখনো স্থাপত্যের চেয়েও নিখুঁত। যে মাটিতে একসময় জীবনের সমাপ্তি ঘটত, সেই মাটিতেই একদিন মানুষ তৈরি করল শান্তির জন্য একটি ভবন। ধ্বংসের জায়গায় সংলাপ। রক্তের স্মৃতির ওপর শান্তির স্থাপত্য।

এ জমির সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী উইলিয়াম জেকেনডর্ফ। তার পরিকল্পনা ছিল এখানে একটি বিশাল বাণিজ্যিক প্রকল্প তৈরি করা। অন্যদিকে জাতিসংঘের জন্য নিউ ইয়র্কে জায়গা খুঁজছিলেন সংশ্লিষ্টরা। এ দুই ঘটনার মধ্যে সেতু তৈরি করেন স্থপতি ওয়ালেস কে. হ্যারিসন।

রকফেলার পরিবারের সহায়তায় জন ডি. রকফেলার জুনিয়র জমি কেনার জন্য অর্থ দেন। ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জন্য ইস্ট রিভারের এ জায়গা অনুমোদিত হয়।
তারপর শুরু হয় আরেক যুদ্ধ। এবার বন্দুকের নয়, নকশার যুদ্ধ।

শান্তির স্থাপত্য: সোজা রেখা, কাচ, ইস্পাত, মার্বেল, আলো, স্বচ্ছতা

জাতিসংঘ সদর দপ্তর কোনো সাধারণ অফিস ভবন ছিল না। এটি ছিল একটি ধারণার স্থাপত্য।
একটি প্রশ্নের উত্তর। কেমন হবে এমন একটি ভবন, যেখানে পৃথিবীর সব রাষ্ট্র নিজেদের জায়গা খুঁজে পাবে?

প্রথম মহাসচিব ট্রিগভে লির উদ্যোগে গঠিত আন্তর্জাতিক ডিজাইন বোর্ডের নেতৃত্ব দেন ওয়ালেস কে হ্যারিসন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্থপতিরা এই প্রকল্পে যুক্ত হন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন লে করবুজিয়ে, অস্কার নিয়েমেয়ারসহ আরও অনেকে।

এটি ছিল এক ধরনের স্থাপত্যিক কূটনীতি। যে প্রতিষ্ঠান পৃথিবীর রাষ্ট্রগুলোকে একই টেবিলে বসাবে, তার ভবনও তৈরি হবে বহু দেশের সম্মিলিত চিন্তা থেকে। ৭৫টি নকশা ও অসংখ্য আলোচনার পর তৈরি হয় চূড়ান্ত পরিকল্পনা।

হ্যারিসন এই প্রকল্পকে বলেছিলেন, ‘ওয়ার্কশপ ফর পিস’। শান্তির কর্মশালা৷ নকশার ভাষাও ছিল সেই দর্শনের প্রতিফলন- সোজা রেখা। কাচ। ইস্পাত। মার্বেল। আলো। স্বচ্ছতা।

রাজপ্রাসাদের মতো কোনও অহংকার নয়। সাম্রাজ্যের মতো কোনও ক্ষমতার প্রদর্শন নয়। বরং এমন একটি স্থাপত্য, যা বলবে, এই ভবন কারও একার নয়।

এটি আলোচনার জায়গা। এটি সমঝোতার জায়গা। এটি মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলার জায়গা। কাচের দেয়াল ছিল শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়। এর মধ্যে ছিল একটি প্রতীকী অর্থ। স্বচ্ছতা। জবাবদিহি।

বিশ্বের মানুষের কাছে খোলা থাকার একটি প্রতিশ্রুতি।

গ্রাফিকস: আগামীর সময়জাতিসংঘের স্থাপত্য যেন বলছিল, শান্তি অন্ধকার ঘরে তৈরি হয় না। শান্তি তৈরি হয় আলোয়, কথোপকথনে এবং পারস্পরিক আস্থায়।

উনচল্লিশ তলা, এক ‘ওয়ার্কশপ ফর পিস’

জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সবচেয়ে পরিচিত অংশ সেক্রেটারিয়েট ভবন। আজকের সবুজাভ কাচের টাওয়ারটি নিউ ইয়র্কের আকাশরেখার অন্যতম পরিচিত প্রতীক।

প্রথম পরিকল্পনায় ভবনটি ৪৫ তলা হওয়ার কথা ছিল। পরে ব্যয় কমানোর জন্য তা ৩৯ তলায় নামিয়ে আনা হয়। ১৯৪৯ সালে নির্মাণ শুরু হয়। ১৯৫০ সালের পর ধীরে ধীরে কর্মীরা সেখানে যেতে শুরু করেন।

সাধারণ পরিষদ ভবন ছিল ভিন্ন চরিত্রের। একটি বিশাল সভাকক্ষ, যেখানে বিশ্বের প্রায় সব রাষ্ট্রের প্রতিনিধি একই ছাদের নিচে বসেন। এখানে স্থাপত্যও ছিল কূটনীতির ভাষা। নিরাপত্তা পরিষদের কক্ষ নরওয়ের উপহার। ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলের কক্ষ ডেনমার্কের। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কক্ষ সুইডেনের৷ আর বার্তাটি ছিল স্পষ্ট: এটি কোনও দেশের ভবন নয়, এটি বিশ্বের।

ভবন বদলেছে, প্রতিষ্ঠানও বদলেছে

কিন্তু কোনো ভবনই সময়ের বাইরে থাকতে পারে না। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বয়স বাড়তে থাকে। পুরনো হয়ে যায় প্রযুক্তি৷ কাচের দেয়ালে সমস্যা দেখা দেয়। অগ্নিনিরাপত্তা ও আধুনিক ব্যবস্থার প্রয়োজন তৈরি হয়। তাই শুরু হয় বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা।

২০০৬ সালে অনুমোদন করা হয় ক্যাপিটাল মাস্টার প্ল্যান। ২০০৮-১৪ সাল পর্যন্ত চলে ব্যাপক আধুনিকায়ন। পুরনো অবকাঠামো বদলে যায়। নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থা আসে। তথ্যপ্রযুক্তি উন্নত হয়। জ্বালানি ব্যবস্থায় আসে পরিবর্তন।

এটি শুধু একটি ভবনের সংস্কার ছিল না। এটি ছিল আট দশকের পুরনো একটি প্রতিষ্ঠানের নতুন যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি।

তবে জাতিসংঘের পরিবর্তন শুধু দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না৷ সনদের আনুষ্ঠানিক সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদ ও অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাঠামোতেও পরিবর্তন এসেছে। ১৯৯০-এর দশকের অভিজ্ঞতার পর শান্তিরক্ষা কার্যক্রমেও বড় পরিবর্তন আসে। ২০০০ সালের ব্রাহিমি প্রতিবেদন শান্তিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার সুপারিশ করে। ২০০৬ সালে মানবাধিকার কমিশনের পরিবর্তে প্রতিষ্ঠিত হয় মানবাধিকার পরিষদ।

বিশ্ব বদলেছে। তার সঙ্গে জাতিসংঘও বদলেছে।

বাংলাদেশের পতাকা, বিশ্বমঞ্চে এক দীর্ঘ যাত্রা

১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে আরেকটি পতাকার জন্য জায়গা তৈরি হয়েছিল। লাল সবুজের পতাকা। বাংলাদেশের পতাকা। মাত্র তিন বছর আগে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া একটি রাষ্ট্র সেদিন জাতিসংঘের সদস্য হয়। ১৩৬তম সদস্য হিসেবে। পরদিন, ১৮ সেপ্টেম্বর, জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে প্রথমবারের মতো উড়ে বাংলাদেশের পতাকা।

একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্য এটি শুধু একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনে যোগ দেওয়া ছিল না। এটি ছিল বিশ্বমঞ্চে নিজের অস্তিত্বের ঘোষণা।

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ভাষণ দেন। বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে বাংলা ভাষার সেই উচ্চারণ ছিল এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

এরপর বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি ধীরে ধীরে বিস্তৃত হয়৷ ১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর সময় বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। সেই নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির প্রতিফলন ছিল সেই অর্জন।

১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের কূটনীতিক হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।

চার দশক পর আবার ইতিহাসের সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত নতুন রাষ্ট্র থেকে বিশ্ব কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে বাংলাদেশের এই যাত্রা দীর্ঘ কূটনৈতিক পথচলার প্রতিচ্ছবি।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকা, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর পক্ষে অবস্থান এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের স্বার্থ তুলে ধরার প্রচেষ্টা এই যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আট দশক পরেও একই প্রশ্ন

এই জায়গাতেই আট দশকের ইতিহাস যেন আবার ফিরে যায় ১৯৪৫-এর কাছে। তখনো প্রশ্ন ছিল, বড় রাষ্ট্রগুলো কি নিজেদের স্বার্থের বাইরে গিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে?

আজও প্রশ্নটি একই।

শুধু ভবন বদলেছে। ৪৫ তলার নকশা কমে ৩৯ তলা হয়েছে৷ কসাইখানার জায়গায় উঠেছে সবুজ কাচের টাওয়ার। ৫১ পতাকা বেড়ে হয়েছে ১৯৩। পুরনো জানালা বদলে এসেছে বিস্ফোরণ-প্রতিরোধী কাচ। টাইপরাইটারের যুগ পেরিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে এসেছে সংগঠনটি।

কিন্তু পৃথিবীর যুদ্ধ থামেনি। ইউক্রেনের আকাশে এখনো সাইরেন বাজে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের সংঘাত দেখিয়ে দিয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৈরি নিরাপত্তা কাঠামো আজও বড় শক্তিগুলোর সংঘাত ঠেকানোর ক্ষেত্রে কঠিন পরীক্ষার মুখে।

মধ্যপ্রাচ্যেও শান্তির সেই পুরনো প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। গাজা যুদ্ধ, ইরান ও ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক সংঘাত আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, কূটনীতির টেবিল যত প্রয়োজনীয়, তার পথ ততটাই কঠিন।

আফ্রিকার সুদান থেকে ইয়েমেন, মিয়ানমার থেকে বিশ্বের নানা প্রান্তে সংঘাতের আগুন এখনো জ্বলছে। কোটি কোটি মানুষ যুদ্ধ, ক্ষুধা এবং বাস্তুচ্যুতির শিকার হচ্ছে।

যে কারণে ১৯৪৫ সালে লেখা জাতিসংঘ সনদের প্রথম শব্দগুলো আজও একইভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে আছে: ‘আমরা, জাতিসংঘের জনগণ’।

একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবী যে প্রতিজ্ঞা করেছিল, আট দশক পরও সেই প্রতিজ্ঞার পথ অসম্পূর্ণ। তবু জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় সাফল্য হয়তো তার নিখুঁত হওয়া নয়।

বরং এত যুদ্ধ, এত ব্যর্থতা, এত ভেটো, এত রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের পরও পৃথিবীর প্রায় সব স্বীকৃত রাষ্ট্রের জন্য একই ছাদের নিচে বসার একটি জায়গা এখনো আছে।

২০২৫ সালে জাতিসংঘের ৮০ বছর উপলক্ষে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছিলেন, গত আট দশকের দিকে তাকালে জাতিসংঘের সৃষ্টি এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এড়ানোর প্রচেষ্টার মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক দেখা যায়।

ইস্ট রিভারের জলে আজও ৩৯ তলা কাচের ভবনের প্রতিবিম্ব পড়ে। সকালে সেটি এক রকম, সন্ধ্যায় আরেক রকম।

হয়তো জাতিসংঘও তাই। একই কাঠামো, কিন্তু প্রতিটি যুগের আলোয় তার চেহারা বদলায়।

১৯৪৫ সালে যুদ্ধের ছাই থেকে তার জন্ম হয়েছিল, যাতে আর কোনও প্রজন্মকে সেই ছাইয়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে একই প্রতিজ্ঞা করতে না হয়।

আট দশক পরও সেই প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হয়নি। কিন্তু পৃথিবী এখনো সেই ভবনের দরজা বন্ধ করেনি।
আর হয়তো সেটিই জাতিসংঘের সবচেয়ে অদ্ভুত, সবচেয়ে অসমাপ্ত, আবার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ইতিহাস।

বিশ্বযুদ্ধভেটোজাতিসংঘ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬  কর্মকর্তার

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬ কর্মকর্তার

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

    রাজপথে বিএনপি, লক্ষ্য তিনটি

    রাজপথে বিএনপি, লক্ষ্য তিনটি