ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে চলছে সামরিক অভিযান
- তুরস্কে কুর্দি বিদ্রোহীদের নিয়ে নতুন আইন

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আল-নাজিলি জানান, একাধিক এলাকায় বিদ্রোহীদের বিভিন্ন অবস্থান ও সামরিক সক্ষমতা লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে এসব অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী। হুতি বিদ্রোহী ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার এবং সৌদি আরব-সমর্থিত জোটের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে দেশটির গৃহযুদ্ধ উসকে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
শুক্রবার জাতিসংঘের বিশেষ দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সংযত থাকার আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘২০২২ সালের এপ্রিলের জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর যেকোনো সময়ের তুলনায় আজ ইয়েমেনে বড় ধরনের সংঘাত আবার শুরু হওয়ার ঝুঁকি বেশি।’
এদিকে তুরস্কের পার্লামেন্টে দেশটির কুর্দি বিদ্রোহীদের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এগিয়ে নিতে একটি খসড়া আইন প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে। শনিবার একটি সংসদীয় কমিটি আইনটির অনুমোদন দেয়। এতে কয়েক হাজার সাবেক যোদ্ধার জন্য শর্তসাপেক্ষে ক্ষমাসদৃশ ব্যবস্থা রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
গত বছর কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি বা পিকেকে তুরস্কের রাষ্ট্রের সঙ্গে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসানের লক্ষ্যে নিরস্ত্র ও সংগঠন বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
প্রস্তাবিত আইনে পিকেকের নিরস্ত্রীকরণ ও সদস্যদের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনের সদস্য থাকার দায়ে দণ্ডিত কিছু ব্যক্তির কারাদণ্ড স্থগিত এবং অন্যদের বিরুদ্ধে চলমান বিচার কার্যক্রম পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সংগঠনটির বিলুপ্তি ও সব অস্ত্র সমর্পণের বিষয়টি নিশ্চিত করার পর এসব ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
১৯৮০-এর দশকে শুরু হওয়া তুরস্ক ও পিকেকের সংঘাতে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। সংঘাতটি প্রতিবেশী ইরাক ও সিরিয়াতেও ছড়িয়ে পড়ে। তুরস্ক ও তার পশ্চিমা মিত্ররা পিকেকেকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।





