আমেরিকান কংগ্রেসম্যান মল্টন
সম্ভাব্য চুক্তিটি ইরানের কাছে ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’

ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান সেথ মল্টন। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে হতে যাওয়া সম্ভাব্য চুক্তিকে মূলত একটি ‘আত্মসমর্পণ দলিল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন কংগ্রেস সদস্য সেথ মল্টন।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এমএস নাউ-কে স্থানীয় সময় শনিবার মল্টন বলেছেন, ‘এটা একটা ভয়াবহ চুক্তি! এটা মূলত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে একটি আত্মসমর্পণ দলিল।’
তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, ‘এই যুদ্ধে ইতোমধ্যে করদাতাদের ১০০ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে, ১৪ জন আমেরিকান নিহত হয়েছেন; আর আমরা এমন একটি চুক্তি পেলাম যা কেবল সেই প্রণালিকেই পুনরায় খুলে দিচ্ছে যা তার এই নির্বোধভাবে যুদ্ধ শুরু করার আগেই খোলা ছিল। এটা কেমন জয় হলো?’
মল্টন ছাড়াও ডেমোক্র্যাট পার্টির বেশ কয়েকজন সদস্য চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করেছেন। যার মধ্যে একজন ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটর অ্যাডাম শিফ।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট বলছেন যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে। আমি আশা করি তিনি ঠিকই বলছেন। কিন্তু আমরা এই কথা আগেও শুনেছি, সঙ্গে একগাদা ভঙ্গ হওয়া প্রতিশ্রুতিও।’
শিফ আরও লিখেছেন, ‘ট্রাম্প নতুন যুদ্ধ শুরু করেছেন, কিন্তু খরচ কমাননি। আর তা আমেরিকান জনগণের গভীর ক্ষতি করেছে।’
ইরান যুদ্ধের পর আমেরিকায় মুদ্রাস্ফীতি ব্যাপক হারে বেড়েছে। নিত্যপণ্যের দাম গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এসে ঠেকেছে।
এর আগে, স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য একটি চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, চুক্তিটি হলে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি সবার জন্য খুলে যাবে।
প্রধান মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানও আশা করছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে। ইসলামাবাদ জানিয়েছে, তারা ভার্চুয়ালি ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, চুক্তিটি আগামীকাল সই হওয়ার কথা রয়েছে এবং এটি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হরমুজ প্রণালি সকলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
প্রধান মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানও আশা করছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত হবে। ইসলামাবাদ জানিয়েছে, তারা ভার্চুয়ালি ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সূত্র : আলজাজিরা


