ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র স্থানান্তর
এশিয়া-ইউরোপে হুমকির মুখে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ

প্রতীকী ছবি
ইরান যুদ্ধের কারণে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল ও ইউরোপ থেকে দূরপাল্লার নির্ভুল অস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে চীন, ইউক্রেনসহ অন্য অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ হুমকির মুখে পড়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের কাছে এমন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন একাধিক মার্কিন কমান্ডার।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আনুমানিক ১,১০০টি দূরপাল্লার স্টেলথ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যেগুলো মূলত চীনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল।
পেন্টাগন ও কংগ্রেসের কর্মকর্তারা মনে করেন, ইরানের নিক্ষেপ করা অস্ত্রের মধ্যে ১,০০০টিরও বেশি টমাহক ক্রুজ মিসাইল, প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর মিসাইল (আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা), প্রিসিশন স্ট্রাইক ও এটিএসিএমএস (ভূমি থেকে ছুড়া হয়) মিসাইল অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরান যুদ্ধে অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে মার্কিন সেনাবাহিনী এশিয়া ও ইউরোপের ঘাঁটিগুলো থেকে গোলাবারুদ মধ্যপ্রাচ্যে স্থানান্তর করছে। এতে ওই অঞ্চলগুলোতে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সামরিক কর্মকর্তা হতাশার সুরে বলেছেন, ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত নির্ভরশীল। দ্রুত প্রতিরক্ষা শিল্পের যথেষ্ট উৎপাদন বাড়ানোর সক্ষমতা আছে কিনা সে বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
প্রতিরক্ষা দপ্তর সতর্ক করেছে, ইরান যুদ্ধে খরচ হওয়া অস্ত্রের মজুদ সম্পূর্ণভাবে পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

