- ৩৬ মিনিট আগে(১২:১০)

নির্বাচনী র্যালিতে ক্রিস পাপাস। ফাইল ছবি / রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম সমকামী পুরুষ সিনেটর ক্রিস পাপাস
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়লেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ক্রিস পাপাস। নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেশটির ইতিহাসে প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ হিসেবে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক সিনেটর জন ই. সুনুনুকে পরাজিত করেন ৪৬ বছর বয়সী পাপাস। তার জয়ের মধ্য দিয়ে অবসর নিতে যাওয়া ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শাহিনের আসনটি ধরে রাখল দলটি।
নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর পাপাস তার সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি স্বামী ভ্যান বেন্টলির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিতে স্বামী তার পাশে ছিলেন। ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে জীবন কাটাতে পারাকে নিজের সৌভাগ্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পাপাস এর আগে নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রথম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সালে প্রথমবার কংগ্রেসে নির্বাচিত হন তিনি। তখনই নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে নির্বাচিত প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী কংগ্রেস সদস্য হওয়ার ইতিহাস গড়েন।
এবার সিনেটে নির্বাচিত হয়ে তার রাজনৈতিক অর্জনে যুক্ত হলো আরেকটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রকাশ্যে সমকামী নারী সদস্য থাকলেও পাপাসই প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ হিসেবে এই আসনে নির্বাচিত হলেন।
নিউ হ্যাম্পশায়ারের এই জয় ডেমোক্র্যাটদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সিনেটের ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণে আসনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিল। পাপাসের জয়ের ফলে আসনটি ডেমোক্র্যাটদের হাতেই থাকল।
হারিসুল ইসলাম সজীব, নিউইয়র্ক থেকে - ৩৯ মিনিট আগে(১২:০৭)

নির্বাচনী র্যালিতে ট্রাম্প। ফাইল ছবি / রয়টার্স
ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন জানালেও পরাজয় মানতে নারাজ ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নির্বাচনের ফলকে নিজের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে জনগণের প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখতে রাজি নন তিনি।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ডেমোক্র্যাটরা ভালো করেছে। তাদের অভিনন্দন জানাই। তারা ১১ বছর ধরে এই বিজয়ের অপেক্ষায় ছিল। অবশেষে তারা সেই সাফল্য পেয়েছে।
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয় নিজের নেতৃত্বের ওপর আঘাত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি বিষয়টিকে নিজের বিরুদ্ধে কোনো আঘাত হিসেবে দেখছেন না।
নিজের প্রশাসনের কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর গত দুই বছর যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো দুই বছর।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্যের পর ট্রাম্পের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নির্বাচনী ফল মেনে নিলেও নিজের নেতৃত্ব ও প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে আত্মবিশ্বাসী অবস্থান ধরে রেখেছেন তিনি।
নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের অগ্রগতির ফলে কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তিত হচ্ছে। এতে ট্রাম্প প্রশাসনের আগামী দুই বছরের নীতি বাস্তবায়নেও নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
হারিসুল ইসলাম সজীব, নিউইয়র্ক থেকে - প্রায় ১ ঘণ্টা আগে(১১:৩৫)

নির্বাচনী র্যালিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ডেব হালান্ড। ফাইল ছবি / রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম আদিবাসী নারী গভর্নর নির্বাচিত ডেব হালান্ড
যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অঙ্গরাজ্যের গভর্নর হিসেবে প্রথম আদিবাসী নারী নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েছেন ডেমোক্র্যাট ডেব হালান্ড।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সাবেক মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও লাগুনা পুয়েবলো জনগোষ্ঠীর সদস্য হালান্ড নিউ মেক্সিকোর গভর্নর নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী গ্রেগ হালের সঙ্গে জয়ী হয়েছেন।
গ্রেগ হাল রিও র্যাঞ্চো শহরের সাবেক মেয়র। - প্রায় ১ ঘণ্টা আগে(১১:৩২)

ভরাডুবির পর ট্রাম্প বললেন, ‘আমি প্রার্থী হলে ভূমিধস জয় হতো’
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কার পর দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনে নিজে প্রার্থী না হওয়াকেই দলের খারাপ ফলের কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমি ব্যালটে ছিলাম না। থাকলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম! বিষয়টি আপনারা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন বলে ধন্যবাদ।’
তবে নির্বাচনের প্রাথমিক ফল বলছে, ভোটারদের অসন্তোষের বড় লক্ষ্য ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। বুধবার পর্যন্ত পাওয়া ফল ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারাতে যাচ্ছে রিপাবলিকানরা। - প্রায় ১ ঘণ্টা আগে(১১:২২)
ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে সিনেট
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার দলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের রায় দিয়েছেন ভোটাররা। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পথে এগিয়ে গেছে ডেমোক্র্যাটরা। একই সঙ্গে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণও হারাতে যাচ্ছে রিপাবলিকান পার্টি। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতেও জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা।
এনবিসি নিউজের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদে অন্তত আটটি আসন রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। কেনটাকি, নিউ জার্সি ও নর্থ ক্যারোলাইনাসহ বিভিন্ন রাজ্যে দলটির প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। কনজারভেটিভ হিসেবে পরিচিত এলাকাগুলোতেও ভালো ফল করেছেন তারা।
এনবিসির প্রকাশিত আসনচিত্রে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের ৫১টি এবং রিপাবলিকানদের ৩৯টি আসন দেখানো হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১টি আসন। তবে মিশিগান ও মিনেসোটায় নিজেদের আসন ধরে রাখার ওপরও ডেমোক্র্যাটদের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ নির্ভর করছে। জর্জিয়া ও নিউ হ্যাম্পশায়ারেও নিজেদের আসন ধরে রেখেছেন দলটির প্রার্থীরা।
সিনেটেও বড় সাফল্য পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ওহাইওতে রিপাবলিকান সিনেটর জন হাস্টেডকে হারিয়ে আবার সিনেটে ফিরছেন ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউন। টেক্সাসে রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনকে হারিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকো। সাউথ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকান ডারলিন গ্রাহামকে পরাজিত করেছেন অ্যানি অ্যান্ড্রুজ। নর্থ ক্যারোলাইনায়ও জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট রয় কুপার।
নির্বাচনের ফলকে ট্রাম্পের প্রতি ভোটারদের অনাস্থা হিসেবে দেখছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা। ভোটারদের বড় অংশ জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বিগ্ন। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়াও অসন্তোষ বাড়িয়েছে। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প নিজেই রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে দুই ডজনের বেশি সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু ফল খারাপ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি দাবি করেন, তিনি ব্যালটে থাকলে দল ভূমিধস জয় পেত।
এই ফল ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালে তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শুনানি বাড়াতে পারবে ডেমোক্র্যাটরা। আইন পাস ও বাজেট অনুমোদনেও বাধার মুখে পড়তে পারেন তিনি। সিনেটের নিয়ন্ত্রণও হারালে বিচারক ও প্রশাসনিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও তার ক্ষমতা সীমিত হবে।
সূত্র : এনবিসি
ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে সিনেট
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার দলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের রায় দিয়েছেন ভোটাররা। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পথে এগিয়ে গেছে ডেমোক্র্যাটরা। একই সঙ্গে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণও হারাতে যাচ্ছে রিপাবলিকান পার্টি। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতেও জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা।
এনবিসি নিউজের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদে অন্তত আটটি আসন রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। কেনটাকি, নিউ জার্সি ও নর্থ ক্যারোলাইনাসহ বিভিন্ন রাজ্যে দলটির প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। কনজারভেটিভ হিসেবে পরিচিত এলাকাগুলোতেও ভালো ফল করেছেন তারা।
এনবিসির প্রকাশিত আসনচিত্রে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের ৫১টি এবং রিপাবলিকানদের ৩৯টি আসন দেখানো হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১টি আসন। তবে মিশিগান ও মিনেসোটায় নিজেদের আসন ধরে রাখার ওপরও ডেমোক্র্যাটদের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ নির্ভর করছে। জর্জিয়া ও নিউ হ্যাম্পশায়ারেও নিজেদের আসন ধরে রেখেছেন দলটির প্রার্থীরা।
সিনেটেও বড় সাফল্য পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ওহাইওতে রিপাবলিকান সিনেটর জন হাস্টেডকে হারিয়ে আবার সিনেটে ফিরছেন ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউন। টেক্সাসে রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনকে হারিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকো। সাউথ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকান ডারলিন গ্রাহামকে পরাজিত করেছেন অ্যানি অ্যান্ড্রুজ। নর্থ ক্যারোলাইনায়ও জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট রয় কুপার।
নির্বাচনের ফলকে ট্রাম্পের প্রতি ভোটারদের অনাস্থা হিসেবে দেখছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা। ভোটারদের বড় অংশ জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বিগ্ন। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়াও অসন্তোষ বাড়িয়েছে। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প নিজেই রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে দুই ডজনের বেশি সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু ফল খারাপ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি দাবি করেন, তিনি ব্যালটে থাকলে দল ভূমিধস জয় পেত।
এই ফল ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা। প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালে তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শুনানি বাড়াতে পারবে ডেমোক্র্যাটরা। আইন পাস ও বাজেট অনুমোদনেও বাধার মুখে পড়তে পারেন তিনি। সিনেটের নিয়ন্ত্রণও হারালে বিচারক ও প্রশাসনিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও তার ক্ষমতা সীমিত হবে।
সূত্র : এনবিসি




