ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান গ্রিনল্যান্ডের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজর অনেক দিন ধরেই রয়েছে গ্রিনল্যান্ডের ওপর। গত মাসের ২২ তারিখে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন তিনি। এর কিছুদিন যেতেই গতকাল বুধবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, আর্কটিক অঞ্চলে শুরু হতে যাচ্ছে তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদের ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রম। তবে সিএনএনের গতকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের এ দাবির বিরোধিতা করেছে গ্রিনল্যান্ড।
দেশটির খনিবিষয়ক উপমন্ত্রী জর্গেন হ্যামেকেন-হোম স্বীকার করেছেন, গ্রিনল্যান্ডে ‘মার্কিন কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম চলছে।’ তবে তিনি সিএনএনকে বলেছেন, ‘ব্যাপক পরিসরে খনি অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হতে এখনো অনেক দেরি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘বর্তমানে অনেক ছোট আকারের অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে, কিন্তু সেগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।’ গবেষকরা গ্রিনল্যান্ড থেকে খনিজ সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা ও বিপুল ব্যয়ের কথা উল্লেখ করেছেন বারবার। দেশটির উপমন্ত্রীও সেই একই বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। দ্বীপটির প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকাই বরফে ঢাকা। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউজে ফিরে আসার পর থেকেই বারবার ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড এবং এর প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। তার হুঁশিয়ারি ক্ষুব্ধ করেছে ইউরোপীয় ও ন্যাটো অংশীদারদের। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার ভোরের দিকে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘বিশেষজ্ঞদের মতে, এখানে সহজে আহরণযোগ্য তেলের পরিমাণ বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের তুলনায় অনেক বেশি; আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক সক্ষমতা বা নিরাপত্তার প্রশ্নে এর গুরুত্ব অতুলনীয়।’



