আফগানিস্তানের হামলার দাবি প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে হামলা চালানোর আফগানিস্তানের দাবিকে শুক্রবার প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়।
তথ্য মন্ত্রণালয় তাদের ফ্যাক্ট-চেক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আফগান তালেবান সরকার তাদের বিভিন্ন প্রচারমাধ্যম ও সরকারি বিবৃতির মাধ্যমে দাবি করছে যে তারা সাধারণ মানের ড্রোন ব্যবহার করে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানের সীমান্ত এলাকায় কথিত আইএসআইএস-খোরাসান (আইএসকেপি) ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বরাবরের মতোই এই দাবিগুলো মিথ্যা।’
মন্ত্রণালয় আরও দাবি করেছে, দায়েশসহ দুই ডজনেরও বেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের ঘাঁটি বাস্তবে আফগান তালেবান সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাতেই অবস্থিত, পরিচালিত হয় এবং সেখান থেকেই পৃষ্ঠপোষকতা পায়।
বিবৃতি অনুযায়ী, তালেবান সরকারের একটি সাধারণ মানের ড্রোন খাইবার অঞ্চলের শিনকোর কাছে পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সতর্ক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেটিকে দ্রুত শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ড্রোনের একটি ছবিও প্রকাশ করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিবেশী দেশ ও অঞ্চলে সংঘটিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে নিজেদের পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি আড়াল করতেই তালেবান সরকার এ ধরনের ‘মিথ্যা ও অসৎ’ দাবি করে থাকে।
তাদের অভিযোগ, দায়েশ, ফিতনা আল-খাওয়ারিজ, ফিতনা আল-হিন্দুস্তানসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রয়েছে তালেবান সরকারের।
পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং এর সহযোগী গোষ্ঠীগুলোকে ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ নামে উল্লেখ করে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের ভূখণ্ডে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য ভারতের মদদপুষ্ট বলে যেসব গোষ্ঠীকে অভিযুক্ত করে, তাদের ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ নামে অভিহিত করে।
এর আগে শুক্রবার আফগান তালেবান দাবি করেছিল, খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে ‘সন্ত্রাসী আস্তানার’ বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়েছে তারা।





