বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
আগামীর সময়
মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

মিথ্যা বলার যুগ শেষ! কোথায় আছেন শনাক্ত করবে বিজ্ঞান

বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
আগামীর সময়
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • ইপেপার
EN
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিশ্ব
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • চট্টগ্রাম
  • শিক্ষা
  • বিচিত্রা
  • ইপেপার
  • EN

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলীগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় পাকিস্তান

অবিশ্বাস-উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

অনলাইন ডেস্কপ্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৫২
অবিশ্বাস-উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

ফয়সাল মসজিদ রোডসহ ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ছবি : ডন

ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকাটির দুর্ভেদ্য নিরাপত্তাব্যবস্থা করা হচ্ছে আরও জোরদার। ফুটপাতগুলো করা হচ্ছে রং। ঘোষণা করা হয়েছে বিশেষ ছুটি।

কারণ সারাবিশ্বের চোখ এখন পাকিস্তানের রাজধানীতে। শনিবার সকালে (আজ রাতেও সম্ভাবনা আছে) এখানে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধি দল। বিশ্বের পাশাপাশি শহরজুড়ে বিরাজ করছে একধরনের প্রত্যাশা ও উদ্বেগের আবহ।

৪০ দিন যুদ্ধের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত বুধবার সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় ওয়াশিংটন ও তেহরান। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে এ বৈঠক।

২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে নিহত হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা। জবাবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় পাল্টা হামলা করে তেহরান। পাশাপাশি বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান।

ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ মার্চের শুরুতে তেহরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দিলে লেবাননে নির্বিচার হামলা চালায় ইসরায়েল।

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির তীব্র সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বন্ধে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করে ইসলামাবাদ। প্রথম দফায় সাময়িক যুদ্ধ বন্ধ হয়। এবার একে স্থায়ী রূপ দিতে আলোচনায় বসছে দুই পক্ষ। কিন্তু গভীর অবিশ্বাস এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা এই আলোচনাকে ফেলেছে হুমকির মুখে।

আলোচনা কখন এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের জন্য উভয়পক্ষকে আলোচনার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। দুই পক্ষের সম্মতিতে দেশটির রাজধানীতে 'ইসলামাবাদ টকস' নামে আলোচনা শুরু হবে বলে জানিয়েছে পাক কর্তৃপক্ষ।

হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে, স্থানীয় সময় শনিবার সকালে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ ৮ এপ্রিল জানিয়েছে, আলোচনা চলতে পারে ১৫ দিন পর্যন্ত। যার কারণে এই প্রতিনিধি দলের অন্তত কিছু সদস্য শনিবারের পরেও থেকে যেতে পারেন ইসলামাবাদে। অথবা পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য ফিরে আসতে পারেন পাকিস্তানের রাজধানীতে।

ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে থাকবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও দূতাবাসগুলো অবস্থানের কারণে এলাকাটি রাজধানীর রেড জোন হিসেবে পরিচিত। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশে অবস্থিত হোটেলটি বুধবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার পর্যন্ত খালি করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

মনে করা হচ্ছে আলোচনার স্থান হিসেবেও ব্যবহার হবে হোটেলটি। ইসলামাবাদে ৯ ও ১০ এপ্রিল সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে শাহবাজ সরকার।

তবে পুলিশ, হাসপাতাল এবং জরুরি সেবা থাকবে আওতামুক্ত। শহরজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রেড জোন। এতে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলো বন্ধ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

কারা আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন?

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট নিশ্চিত করেছেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আমেরিকান প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন এবং তার সঙ্গে থাকবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।

ইরানি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আলোচনায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কোনো প্রতিনিধি যোগ দেবেন কিনা, তা স্পষ্ট নয়। এই বাহিনীটিই যুদ্ধে তেহরানের সামরিক জবাব দিচ্ছে।

তবে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, প্রতিনিধি দলগুলো সরাসরি না পৌঁছানো পর্যন্ত কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়।

পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সংক্ষিপ্তভাবে ঘোষণা করেন, ইরানি প্রতিনিধি দল ৯ এপ্রিল ইসলামাবাদ পৌঁছাবে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পোস্টটি মুছে ফেলেন তিনি।

আলোচনা কেমন হবে?

প্রতিনিধি দলগুলোর ইসলামাবাদে পৌঁছানোর সময়ের ওপর নির্ভর করে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ শুক্র বা শনিবার সকালে আয়োজন করবেন আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার। আশা করা হচ্ছে, উভয়পক্ষের সঙ্গে আলাদা করে প্রাথমিক বৈঠক করবেন তিনি।

আলোচনায় থাকতে পারেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। পুরো সংঘাতে মধ্যস্থতামূলক কূটনীতিতে জড়িত ছিলেন তিনি। আশা করা হচ্ছে, দুই পক্ষের বরফ গলাতে সহায়ক হবেন দার।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির আলোচনায় অংশ নেবেন কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা কেউই জবাব দেয়নি এ প্রশ্নের।

শনিবার মার্কিন ও ইরানি দলগুলো আলাদা কক্ষে বসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করবেন পাকিস্তানি কর্মকর্তারা।

ইসলামাবাদের আলোচনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স উপস্থিত থাকবেন। তার অংশ নেওয়া শান্তি আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তারা ভ্যান্সকে সংঘাত অবসানের ব্যাপারে অধিকতর আগ্রহী বলে মনে করেন।

২০২৮ সালের মার্কিন নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি থেকে মনোনয়নের একজন সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ভ্যান্স। সে হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী মার্কিন সামরিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে নিজেকে সতর্ক রাখছেন তিনি।

পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে তিন ডজনেরও বেশি ভিসার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০ জন সাংবাদিকের আবেদন অনুমোদন পেয়েছে।

তারা এ-ও নিশ্চিত করেছেন, ৩০ সদস্যের একটি মার্কিন নিরাপত্তা দল ইতোমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে।

আলোচনার টেবিলে কী আছে?

উভয়পক্ষই বড় ধরনের মতপার্থক্য নিয়ে শুরু করবে আলোচনা।

স্থায়ী শান্তির জন্য ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবে মধ্যে গুরুত্ব পেয়েছে, হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের কর্তৃত্ব, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন যুদ্ধ বাহিনীর প্রত্যাহার এবং মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর (হুতি, হিজবুল্লাহ, ইরাকি রেজিস্ট্যান্স) বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ করা।

যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে এই শর্তগুলো মেনে নেয়নি। যদিও ট্রাম্প ১০ দফা পরিকল্পনাটিকে আপাতত 'কার্যকর' বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের প্রধান দাবি, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ছেড়ে দেবে ইরান।

তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি, তারা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। আবার লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা নিয়েও বিরোধ আছে দুইপক্ষের।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি সতর্ক করেছেন, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে তেহরান যুদ্ধবিরতি থেকে সরে আসতে পারে। তিনি শর্ত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে হয় যুদ্ধবিরতি অথবা ইসরায়েলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে।

আরাঘচি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কথা উল্লেখ করে জোর দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননসহ সমগ্র অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল।

যদিও বুদাপেস্টে বক্তব্য দেওয়ার সময় ভ্যান্স দাবি করেছেন , যুদ্ধবিরতিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়, এমন অবস্থানটি ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউস গ্রহণ করেছে।

চীনে নিযুক্ত পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাসুদ খালিদ আলজাজিরাকে বলেছেন, আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে উঠেছে।

তার দাবি, ইসরায়েল এই শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার জন্য নানা বাধা সৃষ্টি করছে। লেবাননের ওপর তাদের অবিরাম বোমাবর্ষণের উদ্দেশ্য হলো এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা, যাতে পক্ষগুলো তাদের অবস্থানে আরও কঠোর হয় এবং প্রক্রিয়াটি ভেস্তে যায়।

মাসুদ খালিদের ভাষ্য, এই পর্যায়ে আমরা কেবল বলতে পারি আলোচনা নিশ্চিতভাবেই জটিল ও কষ্টসাধ্য হবে। ১৫ দিনের সময়সীমার পরেও তা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক স্বাধীন বিশ্লেষক এবং ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের অনাবাসিক ফেলো সাহার খান এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন।

তার মত, আলোচনা সফল করতে বিশ্বাসের অভাবই সবচেয়ে বড় বাধা।

সাহার খান মনে করেন, এই মুহূর্তে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই নিজেদের ‘জয়ী’ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। যুদ্ধবিরতি যদি টিকে থাকে এবং তারা সত্যিই যদি আলোচনায় বসে; তবে সেটাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সম্ভাব্য ফলাফল এবং বাধাগুলো কী কী?

বিশ্লেষকদের মতে, উভয়পক্ষের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস থাকায় স্বল্প মেয়াদে চূড়ান্ত সমাধানের সম্ভাবনা কম।

ইসলামাবাদে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমিরি মোগাদ্দাম ইঙ্গিত দিয়েছেন, লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলাকে আলোচনা ব্যাহত করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে তেহরান।

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার ক্ষেত্রে লেবানন এখানে মূল বিষয় বলে মনে করেন তিনি।

মাসুদ খালিদ দাবি করেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর যুদ্ধবিরতির আলোচনার আমন্ত্রণপত্রে স্পষ্টভাবে লেবাননের উল্লেখ ছিল। ওয়াশিংটনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আগেই আলোচনা হয়েছে বলে মনে করা হয়।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, নেতানিয়াহু তাৎক্ষণিকভাবে পাকিস্তানের অবস্থান প্রত্যাখ্যান করেন এবং পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও যুদ্ধবিরতির আওতা থেকে লেবাননকে বাদ দেন।

সাবেক এ দূত মনে করেন, ইরান লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর এবং ফ্রান্সের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ দেশের সমর্থনও তাদের রয়েছে। মূল চাবিকাঠি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতেই রয়েছে।

তার ধারণা, ইসরায়েল হামলা বন্ধ করলেই কেবল একটি টেকসই সমাধান সম্ভব। আলোচনার প্রতিটি পর্বেই ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে।

খালিদ জোর দেন, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই নির্ভর করছে; হয় যুদ্ধবিরতি ত্যাগ করে ইরানের ওপর হামলা চালাবে অথবা ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলতে বলবে, নইলে সবাইকে পরিণতি ভোগ করতে হবে।

গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের নির্বাহী পরিচালক দানিয়া থাফের বলেছেন, আলোচনায় ইসরায়েলের অনুপস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জ।

থাফের মনে করেন, সংঘাতের যে পক্ষটির স্বার্থ সবচেয়ে বেশি জড়িত, সেই ইসরায়েলকে আলোচনা ও চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অংশ হতে হবে। অন্যথায় ইসরায়েলিরা চুক্তির কোন কোন শর্তে সম্মত হয়নি বলে যুক্তি দেবে।

খালিদের আশা, উভয়পক্ষ তাদের কট্টর অবস্থানগুলো অবশেষে নরম করতে পারে। পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য একধরনের বহুপক্ষীয় বোঝাপড়া সম্ভব হতে পারে।

তার মত, উভয়পক্ষের মধ্যে ক্লান্তির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং সংঘাত থেকে তারা সাময়িক মুক্তি চায়।

শান্তিচুক্তির জামিনদার কে হবে

সাবেক দূত খালিদ মনে করেন, কোনো একক দেশই যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষে জামিনদার হতে রাজি হবে না। চীন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আচরণের নিশ্চয়তা দেওয়ার ঝুঁকি নিতেও চাইবে না।

তার ধারণা, চুক্তির জন্য সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান রাষ্ট্রগুলো বা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের একটি বাধ্যতামূলক সমর্থন প্রয়োজন হবে।

সাহার খান মনে করেন, এখানে জামিনদারের প্রশ্নটি অপ্রয়োজনীয়। কারণ আলোচনার এই পর্বে চীনের উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।

তার বিশ্বাস, যুদ্ধবিরতি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এর প্রথম লক্ষ্য হলো আস্থা তৈরি করা। এই আলোচনা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে এবং লেবাননে হামলা বন্ধ করাতে পারে, তবে এটি হবে তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রাম্প একে একটি বিজয় হিসেবেও বিবেচনা করতে পারবেন।

আলজাজিরা থেকে অনূদিত, ভাষান্তর : মাহমুদুল হাসান রিফাত  

পাকিস্তানইরানযুক্তরাষ্ট্রআলোচনাহিজবুল্লাহলেবাননইরান যুদ্ধযুদ্ধবিরতি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    শাকিব-আদনানের ‘জয়ধ্বনি’, ২৪ ঘণ্টায় দেড় কোটি

    শাকিব-আদনানের ‘জয়ধ্বনি’, ২৪ ঘণ্টায় দেড় কোটি

    ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৫৪

    রাজধানীর নিউমার্কেটে ফিল্মি স্টাইলে গুলি

    রাজধানীর নিউমার্কেটে ফিল্মি স্টাইলে গুলি

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:৪৮

    সুদ বেশি সময় কম কঠিন শর্ত

    সুদ বেশি সময় কম কঠিন শর্ত

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২৪

    কোনো পদক্ষেপ নিলে রণক্ষেত্রে কঠিন জবাব পাবে শত্রুপক্ষ

    কোনো পদক্ষেপ নিলে রণক্ষেত্রে কঠিন জবাব পাবে শত্রুপক্ষ

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:১৪

    আওয়ামী লীগ আমলে বিদ্যুৎ খাতে হয়েছে লাগামহীন দুর্নীতি

    আওয়ামী লীগ আমলে বিদ্যুৎ খাতে হয়েছে লাগামহীন দুর্নীতি

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪২

    ঢাকার রাজপথে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা

    ঢাকার রাজপথে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২৭

    সিরিজটা বাংলাদেশের হোক চট্টগ্রামেই

    সিরিজটা বাংলাদেশের হোক চট্টগ্রামেই

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৪৩

    না কাটলে ডুবছে, কাটলে পচছে

    না কাটলে ডুবছে, কাটলে পচছে

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৯

    মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

    মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১২

    তদন্তে মিলল লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত

    তদন্তে মিলল লিমন-বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৫

    কৃষির যান্ত্রিকীকরণে সহযোগিতা করতে চায় বেলারুশ

    কৃষির যান্ত্রিকীকরণে সহযোগিতা করতে চায় বেলারুশ

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:২২

    ‘ক্ষমতাধর’ ক্যাডারে পিছিয়ে নারীরা

    ‘ক্ষমতাধর’ ক্যাডারে পিছিয়ে নারীরা

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৫১

    চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

    চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯

    আ. লীগের পতনে নির্বাচনী লড়াইয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

    আ. লীগের পতনে নির্বাচনী লড়াইয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

    ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৯

    ব্রিটিশ রাজদম্পতির সফর ঘিরে হোয়াইট হাউজে জমকালো আয়োজন

    ব্রিটিশ রাজদম্পতির সফর ঘিরে হোয়াইট হাউজে জমকালো আয়োজন

    ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:৫৪

    advertiseadvertise