Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

গাজায় নয়, নেতানিয়াহুর সবচেয়ে বড় পরাজয় ঘটছে ওয়াশিংটনে

আলজাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৩
গাজায় নয়, নেতানিয়াহুর সবচেয়ে বড় পরাজয় ঘটছে ওয়াশিংটনে

ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের যে ‘অপরিহার্য’ কৌশলগত সম্পর্কের কথা এত দিন বলা হতো, সেটিকে নতুন করে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়েই সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন সফর শুরু করেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু তার সফরের ঠিক সেই সময়ই প্রকাশিত একটি জনমত জরিপ দেখিয়ে দিল, দুই দেশের সম্পর্কের রাজনৈতিক ভিত্তি কতটা বদলে গেছে।

গত ২৮ জুলাই প্রকাশিত দ্য ইকোনমিস্ট/ইউগভের জরিপ অনুযায়ী, ৪৯ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা উচিত।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো, ৪৭ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন, গাজায় নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ করেছেন। এক দশক আগেও এমন জনমত কল্পনা করা কঠিন ছিল। এই পরিবর্তনই দেখিয়ে দেয়, যে পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে ইসরায়েলের আগের প্রজন্মের নেতারা আজীবন সতর্ক ছিলেন, নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত সেটিকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে ইসরায়েল ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান— উভয় দলের সর্বসম্মত সমর্থনের জায়গা হারিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত ও মেরুকৃত ইস্যুগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।

তবে এই পরিবর্তনের সূচনা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা কিংবা গাজার ধ্বংসযজ্ঞ দিয়ে হয়নি। এসব ঘটনা শুধু বহু বছর ধরে চলতে থাকা একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুততর করেছে।

নেতানিয়াহুর সবচেয়ে বড় কৌশলগত ব্যর্থতা ছিল রাজনৈতিক। রিপাবলিকানদের ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা এবং ডেমোক্র্যাটদের গুরুত্ব ক্রমেই উপেক্ষা করার মাধ্যমে তিনি সেই ঐতিহাসিক দ্বিদলীয় ঐকমত্য ভেঙে দেন, যা কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি ছিল।

ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠাতা প্রজন্মের নেতারা উপলব্ধি করেছিলেন, দেশটিকে কখনোই মার্কিন কোনো একক রাজনৈতিক দলের এজেন্ডায় পরিণত করা যাবে না। তাদের কাছে দুই দলের সমর্থনই ছিল সমান গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলকে তারা এমন এক কৌশলগত অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার নিরাপত্তা দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে। বাস্তবে এই সর্বদলীয় রাজনৈতিক সমর্থনের মূল্য অনেক সময় সামরিক সহায়তার চেয়েও বেশি ছিল। নেতানিয়াহু সেই মূল্যবান উত্তরাধিকারই পেয়েছিলেন, অথচ তার আমলেই সেটি সবচেয়ে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে।

বিদ্রূপের বিষয় হলো, আমেরিকার রাজনীতি সম্পর্কে নেতানিয়াহুর মতো অভিজ্ঞ বিদেশি নেতা খুব কমই আছেন। যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা, মার্কিন রাজনৈতিক বাস্তবতার গভীর বোঝাপড়া এবং ওয়াশিংটনের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক— সবই তার ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আত্মবিশ্বাসই তার সবচেয়ে বড় ভুলের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি ধরে নিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যাগত ও আদর্শিক পরিবর্তনের ফলে রিপাবলিকানরাই দীর্ঘ সময় ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে থাকবে। সেই হিসাব কষেই আগের ইসরায়েলি নেতাদের অনুসৃত রাজনৈতিক ভারসাম্যের নীতি ত্যাগ করে তিনি প্রায় পুরোপুরি রিপাবলিকানদের ওপর বাজি ধরেন।

এই কৌশলের সবচেয়ে বড় প্রকাশ ঘটে ২০১৫ সালে। ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আপত্তি উপেক্ষা করে রিপাবলিকানদের আমন্ত্রণে মার্কিন কংগ্রেসে গিয়ে ইরান পারমাণবিক চুক্তির বিরুদ্ধে ভাষণ দেন নেতানিয়াহু। রক্ষণশীল মহলে এটি প্রশংসিত হলেও কৌশলগত বিচারে সেটিই ছিল তাঁর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর একটি।

ইসরায়েলের কোনো প্রধানমন্ত্রী এর আগে যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্টের নীতির বিরুদ্ধে এভাবে প্রকাশ্যে অবস্থান নেননি। ফলে কোটি কোটি ডেমোক্র্যাটের কাছে এই বার্তাই পৌঁছে যায় যে, ইসরায়েল কার্যত একটি রাজনৈতিক পক্ষ বেছে নিয়েছে। সেই আস্থার সংকট ইরান চুক্তির বিতর্ক শেষ হওয়ার পরও আর কাটেনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে নেতানিয়াহুর মনে হয়েছিল, তার এই কৌশল সফল হয়েছে। ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন, মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর করেন, গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব মেনে নেন, ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসেন এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নকে কার্যত পেছনে ঠেলে দেন। এসব সাফল্যকে স্থায়ী ধরে নিয়ে নেতানিয়াহু মনে করেছিলেন, রিপাবলিকানদের দৃঢ় সমর্থন থাকলেই ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন আর অপরিহার্য নয়।

কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এভাবে টিকে থাকে না। কোনো জোটের স্থায়িত্ব নির্ভর করে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি, রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা এবং বহুদলীয় গ্রহণযোগ্যতার ওপর। একটি প্রশাসনের সমর্থন যতই শক্তিশালী হোক, সেটি কখনোই স্থায়ী বিকল্প হতে পারে না। ইসরায়েলকে রিপাবলিকানদের সঙ্গে অতিমাত্রায় সম্পৃক্ত করে নেতানিয়াহু সেই সময়েই সম্পর্কের ভিত্তিকে দুর্বল করে ফেলেন, যখন সেটিকে সবচেয়ে বেশি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন ছিল।

গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার সামরিক অভিযান সেই দুর্বলতার প্রকৃত চিত্র সামনে এনে দেয়। ৭ অক্টোবরের হামলার পর নিজ দল ডেমোক্র্যাটদের তীব্র চাপ সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলকে নজিরবিহীন সামরিক, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন দেন।

যুদ্ধের মধ্যেই তিনি ইসরায়েল সফর করেন, দ্রুত অস্ত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করেন এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের সবচেয়ে শক্তিশালী কূটনৈতিক রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়ান। কিন্তু সেই সমর্থনের প্রতিদান হিসেবে নেতানিয়াহু বারবার প্রকাশ্যে বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধে জড়ান।

ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে অস্ত্র সরবরাহে বাধা দেওয়ার অভিযোগ, যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান এবং মানবিক সহায়তা বিতরণে অচলাবস্থা—এসব ইস্যুতে তিনি প্রকাশ্যেই হোয়াইট হাউজকে অস্বস্তিতে ফেলেন। বাইডেন যখন ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নিজের রাজনৈতিক মূলধন খরচ করছিলেন, তখন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ধরে রাখার চেয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিজের অবস্থান শক্ত করতেই বেশি মনোযোগী ছিলেন।

এদিকে গাজার যুদ্ধ বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েলের ভাবমূর্তি আমূল বদলে দিয়েছে। হাসপাতাল, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসিক এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এবং নজিরবিহীন মানবিক সংকট বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে তার সরকারের কট্টরপন্থী মন্ত্রীরা প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ ও স্থায়ী সামরিক দখলের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে সেই সমালোচনাকে আরও উসকে দিয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ে কি না, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের। কিন্তু রাজনৈতিক বিচারে জনমতের আদালত ইতোমধ্যেই রায় দিতে শুরু করেছে— শুধু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও।

এই জনমত জরিপের তাৎপর্য তাই শুধু নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় অর্ধেক মানুষ যখন তাদের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশের প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের যোগ্য বা সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধী বলে মনে করেন, তখন বোঝা যায় জনমানসে কত বড় পরিবর্তন ঘটেছে। জরিপের ফল সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে, কিন্তু প্রজন্মগত দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সাধারণত এত সহজে উল্টে যায় না।

এই পরিবর্তনের প্রতিফলন এখন মার্কিন রাজনীতিতেও স্পষ্ট। ডেমোক্র্যাটদের ভেতরে আগের মতো নিঃশর্ত সমর্থন আর নেই; বরং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার মানার শর্তে সামরিক সহায়তা দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে। তরুণ আমেরিকানদের বড় একটি অংশও এখন এই সংঘাতকে শুধু ঐতিহাসিক মিত্রতার দৃষ্টিতে নয়, বরং দখলদারিত্ব, বৈষম্য ও মানবাধিকারের প্রশ্নে মূল্যায়ন করছে। এমনকি রিপাবলিকানদের নতুন প্রজন্মের একাংশও বিদেশে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সহায়তার বিষয়ে আগের তুলনায় বেশি সংশয় প্রকাশ করছে।

নেতানিয়াহুর বর্তমান চরমপন্থী জোট সরকার এই সংকটকে আরও গভীর করেছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়া উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতাদের সরকারে অন্তর্ভুক্ত করে তিনি মূলধারার রাষ্ট্রীয় নীতি ও কট্টর রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই মুছে দিয়েছেন।

সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো, সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধান নিয়ে তার সরকারের কোনো বিশ্বাসযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নেই। নেতানিয়াহু ধারাবাহিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে অর্থবহ আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন, গাজায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রত্যাবর্তনের বিরোধিতা করেছেন এবং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে গাজা পুনর্গঠনের কোনো গ্রহণযোগ্য পরিকল্পনাও তুলে ধরতে পারেননি।

সামরিক শক্তি দিয়ে অবকাঠামো ধ্বংস করা যায়, সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দুর্বল করা যায়; কিন্তু ভূমি, সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রশ্নে গড়ে ওঠা একটি জাতীয় সংঘাতের স্থায়ী সমাধান শুধু শক্তি প্রয়োগে সম্ভব নয়।

ইতিহাস অনেক সময় সাময়িক কৌশলগত সাফল্যকে উদারভাবে বিচার করে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ভুলকে খুব কমই ক্ষমা করে। সুবিধাজনক মার্কিন প্রশাসনের সময় নেতানিয়াহু গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করেছিলেন। কিন্তু সেই সাফল্যের ভিত্তি ছিল কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা এক বিরল রাজনৈতিক ঐকমত্য— যেখানে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান, উভয় দলই ইসরায়েলকে একটি গণতান্ত্রিক মিত্র হিসেবে দেখত। আজ সেই ভিত্তিই দ্রুত ক্ষয়ে যাচ্ছে।

নেতানিয়াহু যখন আবার ওয়াশিংটনে গিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় অর্ধেক মানুষ তাকে বন্ধু নয়, বরং সম্ভাব্য অপরাধী হিসেবে দেখছে। এর চেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রতীক হয়তো আর হতে পারে না।

সামরিক শক্তি দিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা সম্ভব, কিন্তু হারানো রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা যায় না। বিশ্বাস, গ্রহণযোগ্যতা এবং সর্বদলীয় সমর্থন— এগুলো এমন কৌশলগত সম্পদ, যা গড়ে তুলতে কয়েক প্রজন্ম লেগে যায়, অথচ নষ্ট হতে লাগে মাত্র কয়েকটি ভুল সিদ্ধান্ত।

ভবিষ্যতের ইতিহাসবিদেরা যদি কখনো খুঁজে দেখতে চান, ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানের অবক্ষয় কোথা থেকে শুরু হয়েছিল, তবে তাদের দৃষ্টি শুধু তেহরান, গাজা বা বৈরুতের দিকে যাবে না। তারা ফিরে তাকাবেন ওয়াশিংটনের দিকেই— আর সেই মোড় পরিবর্তনের কেন্দ্রে খুঁজে পাবেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোকে।

নেতানিয়াহুযুক্তরাষ্ট্রগাজা যুদ্ধ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise