Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

আকাশছোঁয়া দাম

বাড়ি কেনার স্বপ্ন অধরা মরক্কোর মধ্যবিত্তের

  • বছরের প্রথম তিন মাসে সম্পত্তির লেনদেন কমেছে ৪০ শতাংশের বেশি
  • দাম ও ঋণের খরচে বাড়ি খোঁজা বন্ধ করেছেন বহু ক্রেতা
আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৯:১৫
বাড়ি কেনার স্বপ্ন অধরা মরক্কোর মধ্যবিত্তের

আকাশ থেকে তোলা মরক্কোর মারাকেশ শহরের একাংশ। ফাইল ছবি

নিজের একটি বাড়ি–মরক্কোর মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে সেই স্বপ্নই এখন ক্রমশ নাগালের বাইরে। আয় বৃদ্ধির তুলনায় আবাসনের দাম বেশি, গৃহঋণের সুদ চড়া এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় ঊর্ধ্বমুখী। সব মিলিয়ে বাড়ি কেনার পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে আসছেন বহু মানুষ।

চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটির সম্পত্তি লেনদেন ৪০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। তা সত্ত্বেও বড় শহর ও চাহিদাসম্পন্ন এলাকায় বাড়ির দাম রয়েছে উচ্চপর্যায়ে। ফলে বাজারে ক্রেতা কমলেও মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে আসেনি আবাসন।

সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৫ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, বাড়ির মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে তাদের কেনার পরিকল্পনায়। ১৯ শতাংশ ক্রেতা ইতিমধ্যেই বাড়ি খোঁজার প্রক্রিয়া বন্ধ করেছেন।

মধ্যবিত্ত পরিবারের সমস্যার কেন্দ্রে শুধু বাড়ির দাম নয়, রয়েছে ঋণের ব্যয়ও। ২০২৫ সালের শেষ দিকে মরক্কোয় গৃহঋণের গড় সুদ বেড়ে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশে পৌঁছেছিল। তার সঙ্গে প্রাথমিক জমা, নিবন্ধন খরচ এবং মাসিক কিস্তির চাপ–সাধ্যের বাইরে অনেক পরিবারের হিসাব।

আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হওয়ার আশঙ্কাও প্রবল। ২০২৬ সালে বাড়ি কেনা ও ভাড়ার খরচ বাড়বে বলে মনে করেন মরক্কোর ৮১ শতাংশ মানুষ। মধ্যম আয়ের উত্তরদাতাদের ৮৩ শতাংশেরও একই আশঙ্কা। মানুষের আয়ের তুলনায় পণ্যমূল্য দ্রুত বাড়বে বলেও ধারণা ৭৩ শতাংশের।

বাড়ি কেনার পথ সহজ করতে ২০২৪ সালে সরাসরি আবাসন সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছিল মরক্কো সরকার। প্রথমবার বাড়ি কেনা নাগরিকদের জন্য তিন লাখ দিরহামের কম দামের আবাসনে এক লাখ দিরহাম এবং তিন লাখ থেকে সাত লাখ দিরহাম মূল্যের বাড়িতে ৭০ হাজার দিরহাম সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে সুবিধা পেয়েছিলেন ৫৫ হাজারের বেশি মানুষ।

তবে সম্পত্তির দাম, ঋণের কিস্তি ও পরিবারের অন্য ব্যয়ের তুলনায় সরকারি সহায়তাকে এখনও অপর্যাপ্ত মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে কাসাব্লাঙ্কা, রাবাত ও মারাকেশের মতো বড় শহরে জমির উচ্চমূল্য এবং সীমিত সাশ্রয়ী আবাসন মধ্যবিত্তের জন্য প্রধান বাধা। মধ্যবিত্তের জন্য তৈরি আবাসন প্রকল্পেও জমির দাম দীর্ঘদিন ধরে বড় সমস্যা বলে চিহ্নিত হয়েছে।

অবশ্য জাতীয় পর্যায়ের সরকারি মূল্যসূচকে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে আবাসনের দামে সামান্য পতনের তথ্য রয়েছে। কিন্তু এলাকাভেদে বাজারের বাস্তবতা এক নয়। বড় শহরের নতুন ও সুবিধাজনক এলাকার বাড়ি এখনও বহু পরিবারের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

ফলে মরক্কোর মধ্যবিত্তের সামনে এখন তিনটি পথ–আরও ছোট বাড়ি, শহরের কেন্দ্র থেকে দূরে বসতি, অথবা অনির্দিষ্টকালের জন্য ভাড়াবাস। নিজের বাড়ির স্বপ্ন আছে, কিন্তু সেই স্বপ্নের সঙ্গে আয়ের ব্যবধানই এখন সবচেয়ে বড়৷

মরক্কোমরক্কোর মধ্যবিত্ত
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise