কুয়েতের জিলিভ আল-শুইউখে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু
- খরচের বোঝা মালিকদের ঘাড়েই

কুয়েতের অন্যতম জনবহুল ও বাংলাদেশী অধ্যুষিত আলোচিত এলাকা জিলিব আল-শুইউখে স্থায়ীভাবে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।নিয়মবহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা এবং একাধিকবার সতর্ক করার পরও স্বেচ্ছায় অবৈধ অংশ সরিয়ে না নেওয়ায় প্রথম ধাপে ২৬৩টি সম্পত্তির বিরুদ্ধে উচ্ছেদ ও ভাঙচুর অভিযান শুরু করেছে কুয়েত মিউনিসিপালিটি। এই পদক্ষেপে শহরের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের আপসহীন মনোভাবের একটি বহিঃপ্রকাশ পরিলক্ষিত হয়েছে।
উচ্ছেদ কার্যক্রমের পরিধি এখানেই শেষ হচ্ছে না, বরং এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে খুব শীঘ্রই পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে।এছাড়াও দ্বিতীয় ধাপে আরও ৪৯৪টি সম্পত্তি এই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে।যার মধ্যে অধিকাংশ বহুতল বিশিষ্ট বড় বড় দালান।মিউনিসিপালিটির ডিরেক্টর জেনারেলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়ার পর আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যেই এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে প্রকল্পের তৃতীয় ধাপের সময়সূচী এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। কারণ, এই ধাপের কাজের পরিধি ও শিডিউল নির্ধারণের জন্য মিনিস্ট্রি অব পাবলিক ওয়ার্কসের পক্ষ থেকে এখনও প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রতিবেদন এবং বিস্তারিত বিবৃতি হাতে পায়নি মিউনিসিপালিটি।
এই উচ্ছেদ অভিযানের একটি উল্লেখযোগ্য ও কঠোর দিক হলো এর আর্থিক দায়ভার। প্রশাসন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে,অবৈধ স্থাপনা ভাঙার কোনো খরচ মিউনিসিপালিটি বহন করবে না। সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলোর মালিকদেরকেই উচ্ছেদ এবং ধ্বংসাবশেষ অপসারণের সমস্ত খরচ পরিশোধ করতে হবে। এই খরচের পরিমাণ পুরোপুরি নির্ধারিত হবে সম্পত্তির মোট আয়তন, ভবনের তলার সংখ্যা, ভাঙার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি এবং নির্ধারিত পরিবহন রুটের দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে।
যার ফলে নিয়ম অমান্যকারী মালিকদের জন্য এটি যেমন একটি বড় আইনি ধাক্কা, তেমনি আর্থিক দিক থেকেও বড় অঙ্কের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।উল্লেখ্য যে, এ আলাকার মেয়াদ উত্তির্ন এসব স্থাপনা ভেংগে দেয়ার জন্য অনেক আগে থেকেই কুয়েতের মিউনিসিপালিটি কর্তৃপক্ষ বহুবার নোটিশ দিলেও তা আমলে নেই নি ভবনের মালিকপক্ষ। যার কারনে এ উচ্ছেদ অভিযানে নামে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।



