যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা

বৈরুতের একটি বিধ্বস্ত ভবনের সামনে দিয়ে যাচ্ছেন কয়েকজন। ছবি: রয়টার্স
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি দুটি পৃথক হামলায় চারজন নিহত হয়েছে। নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। দেশটির ইয়াহমোর আল-শাকিফ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র।
এই জেলাটি লিটানি নদীর উত্তরে অবস্থিত। এলাকাটি ইসরায়েলি অধিকৃত অঞ্চলের বা ইয়েলো জোনের অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে এখানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও এটি ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতার একটি ধারাবাহিক চিত্র।
এখানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী নিয়মিত আক্রমণ করছে।
'ইয়েলো লাইন' বা 'হলুদ রেখা' মূলত ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নির্ধারিত একটি নিরাপত্তা সীমারেখা বা বাফার জোন, যা সাম্প্রতিক সময়ে তারা গাজা এবং দক্ষিণ লেবাননে কার্যকর করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশলটি মূলত যুদ্ধবিরতির আড়ালে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড নিজেদের সামরিক নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি সূক্ষ্ম পদ্ধতি।
লেবানন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, আজ শনিবার সকাল থেকেই আমরা টায়ার শহরে অবস্থানকালে দক্ষিণ লেবানন জুড়ে বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দ শোনা যাচ্ছে। ইসরায়েলি বাহিনী মূলত ঘরবাড়ি এবং বিভিন্ন ভবন ধ্বংস করার কারণে এই শব্দ হচ্ছে।
আমরা নাকুরা, সীমান্তের পূর্ব অংশ এবং সীমান্তসংলগ্ন জেলাটির মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত বিনত জবেইল শহরে ভবনগুলো ধ্বংস করার শব্দ শুনতে পেয়েছি। যার মানে, ইসরায়েল সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তাদের একতরফাভাবে ঘোষিত এই ‘ইয়েলো লাইন’-এর ভেতরে এবং সীমান্ত জুড়ে ।
এদিকে ভোরের দিকে ‘ইয়েলো লাইন’-এর অনেক উত্তরেও বেশ কিছু স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তাদের দাবি, ওই স্থানগুলো হিজবুল্লাহ রকেট উৎক্ষেপণের জন্য ব্যবহার করছিল।

