Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

ইরবিল বিমান ঘাঁটি থেকে সেনা সরিয়েছে পশ্চিমা কয়েকটি দেশ

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২
ইরবিল বিমান ঘাঁটি থেকে সেনা সরিয়েছে পশ্চিমা কয়েকটি দেশ

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় স্বস্তিতে নেই প্রতিবেশী দেশগুলো। পাশাপাশি এই দেশগুলোতে থাকা বিদেশি সেনারাও রয়েছেন আতঙ্কে।


এ উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সেনা সরিয়েছে ওয়াশিংটন। এবার ইরাকের কুর্দিস্থান অঞ্চলের ইরবিল এয়ারপোর্ট থেকে সেনাদের সরিয়ে নিয়েছে পশ্চিমা কয়েকটি দেশ।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায় তাহলে এই এয়ারপোর্ট হামলার শিকার হতে পারে। মূলত এই ভয় থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো সেনাদের সরিয়ে নিয়েছে।

২০১৮ সাল থেকেই এই বিমানঘাঁটি ইরান ও এর মিত্রদের হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। এ ঘাঁটিতে ড্রোন, রকেট ও ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে হামলা করা হয়েছে বহুবার।

শুধু তাই নয় ইরান গত ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরসেক একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, যদি তেহরানে হামলা করা হয় তাহলে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি এবং দেশটির স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

বিশ্বস্ত বেশ কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইরবিলে থাকা বাহিনীর প্রায় অর্ধেকই অন্যান্য দেশে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছেন নরওয়েজিয়ান, সুইডিশ, ইতালি ও ফরাসি সেনা। তবে মার্কিন ও হাঙ্গেরীয় সৈন্যরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঘাঁটিতে অবস্থান করছে।

ইরবিল ঘাঁটি থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি শুধু নরওয়ে ও জার্মানি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে।


নরওয়ের সামরিক মুখপাত্র ব্রিনজার স্টর্ডাল বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নরওয়ের প্রায় ৬০ জন সৈন্য রয়েছে, যারা বিভিন্ন মিশন পরিচালনা করছে। এই অঞ্চলে উত্তেজনার কারণে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

জার্মান সামরিক সূত্র জানিয়েছে, ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে ইরবিলে থাকা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমানো হয়েছে।


ডাচ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন রাইসা ব্রোয়েরেন বলেছেন, তারা এই অঞ্চলের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেছেন, স্বাভাবিকভাবেই, আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রয়োজনে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

তবে, ঘাঁটিতে থাকা ডাচ সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির একজন সিনিয়র ফেলো অ্যান্ড্রু জে টেবিলার। যিনি প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের সময় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্যুরো অব নিয়ার ইস্টার্ন অ্যাফেয়ার্সের একজন সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি বলেছেন, জোটের দেশগুলোর সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কারণ তারা বিশ্বাস করে যে তারা ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার ঝুঁকিতে থাকবে।



ইরানযুক্তরাষ্ট্রহামলার আশঙ্কাপশ্চিমা দেশইরবিল বিমান ঘাঁটিসেনা প্রত্যাহার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise