আন্ডারওয়াটার ড্রোন তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্রসহ তিন দেশ

রিচার্ড মার্লেস (বাঁয়ে), পিট হেগসেথ (ডানে) এবং জন হিলি (মাঝে)। ছবি : রয়টার্স
সমুদ্রতলের ক্যাবল রক্ষা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে চালকবিহীন সাবমেরিন ড্রোন প্রযুক্তি তৈরির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া। অকাস সামরিক জোটের অধীনে নেওয়া হচ্ছে এই পদক্ষেপ।
২০২৭ সালের মধ্যে এই চালকবিহীন আন্ডারওয়াটার ভেহিকল প্রযুক্তি প্রস্তুত হতে পারে। এই প্রকল্পের মোট ব্যয় উল্লেখ করা না হলেও যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি জানিয়েছেন, তার দেশ এতে ১৫০ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে।
সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত একটি নিরাপত্তা সম্মেলনে তিন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে এই ঘোষণা।
এর আগে অকাস জোটের প্রকল্পগুলোর ধীরগতি নিয়ে চলছিল সমালোচনা। সেই সমালোচনা স্বীকার করে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, ‘অকাস জোটে দীর্ঘদিন ধরে আমরা কেবল কথাই বেশি বলেছি। কাজ করেছি কম। তবে আমাদের তিন সরকারের অধীনে এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে।’
এই চালকবিহীন সাবমেরিন প্রযুক্তিটি মূলত অকাস জোটের ‘পিলার টু’-এর আওতাধীন প্রথম কোনো প্রধান প্রকল্প। এই পিলারের অধীনে অংশীদার দেশগুলো দূরপাল্লার হাইপারসনিক মিসাইল, আন্ডারওয়াটার রোবোটিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উন্নত সক্ষমতা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে চালকবিহীন সাবমেরিনগুলোর জন্য এমন অত্যাধুনিক ব্যবস্থা ও প্রযুক্তি তৈরি করা হবে। যা সমুদ্রতলের অবকাঠামো রক্ষা, হামলা পরিচালনা, নজরদারি এবং রসদ সরবরাহের কাজ করতে পারবে।
জন হিলি বলেছেন, এই সাবমেরিনগুলোর জন্য সেন্সর ও অস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করা হবে। যা বাহিনীগুলোকে দ্রুত উন্নত যুদ্ধপ্রযুক্তি সরবরাহ করবে।
‘এটি আমাদের সমুদ্রতলের ক্যাবল ও পাইপলাইনের ওপর আসা হুমকি মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে। যার ওপর আমাদের দৈনন্দিন জীবন অনেকাংশে নির্ভরশীল’, যোগ করেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, অস্ট্রেলিয়ায় মার্কিন ও ব্রিটিশ পারমাণবিক সাবমেরিন পালাক্রমে মোতায়েনের পরিকল্পনাটি সঠিক পথেই রয়েছে। চলতি বছরের শেষের দিকে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রথম দলটি সেখানে পৌঁছাবে।
সূত্র : বিবিসি






