Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ভারত

পশ্চিমবঙ্গে নতুন ‘গুন্ডাদমন বিল’ ঘিরে তুমুল বিতর্ক বিধানসভায়

সংবাদদাতা, কলকাতা
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ২০:৫৯
পশ্চিমবঙ্গে নতুন ‘গুন্ডাদমন বিল’ ঘিরে তুমুল বিতর্ক বিধানসভায়

বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আরও কড়া অবস্থান নেওয়ার লক্ষ্যে সোমবার বিধানসভায় একটি নতুন বিল পেশ করল পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’ নামে ওই প্রস্তাবিত আইনকে রাজনৈতিক মহলের অনেকেই এরই মধ্যে ‘গুন্ডাদমন বিল’ হিসেবে আখ্যা দিতে শুরু করেছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা বিধানসভায় বিলটি উত্থাপন করেন।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন বিলে সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সংজ্ঞা আগের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত করা হয়েছে। বেআইনি দখল, সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতি, খনিজ সম্পদের অবৈধ উত্তোলন, জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো কিংবা শৃঙ্খলাভঙ্গের মতো ঘটনাগুলোকে কঠোরভাবে অপরাধের আওতায় আনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের দ্বিগুণ পর্যন্ত জরিমানা আদায়ের ক্ষমতাও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা ও পুলিশের ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে বিলে।
বিলের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ বলেছেন, গরিবের টাকা যারা শোষণের চেষ্টা করবেন, তাদের শাস্তি দেওয়ার জন্যই এই বিল অত্যন্ত দরকার। তার দাবি, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা বা দখলদারির মতো কাজ রুখতেই এই আইন কার্যকর ভূমিকা নেবে।

তবে বিলটি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন বিরোধী শিবিরের একাংশ। আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি প্রশ্ন তুলেছেন, সন্দেহের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারির মতো বিধান ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষ বা বিরোধী মতের মানুষের বিরুদ্ধে অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে পারে কি না। তার কথায়, সত্যি সত্যি যারা দোষী তাদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেওয়া হোক। নির্দোষরা যাতে কোনোভাবেই এর জন্য ভুক্তভোগী না হয়।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জননিরাপত্তার স্বার্থে কঠোর আইন প্রণয়ন গুরুত্বপূর্ণ হলেও নাগরিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সাধারণ মানুষের সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান জরুরি। অতীতে বিভিন্ন রাজ্যে কঠোর আইনের অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠায় এই বিল নিয়েও সতর্ক দৃষ্টি রাখছে বিরোধীরা।

বিলটি সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি উঠলেও সরকার দ্রুত তা পাস করানোর পক্ষে সওয়াল করছে।

পশ্চিমবঙ্গগুন্ডাদমন বিলশুভেন্দু অধিকারী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise