লন্ডনে চীনের ‘মেগা দূতাবাস’ ঘিরে আদালতে আইনি লড়াই

লন্ডনে চীনের ‘মেগা দূতাবাসের’ প্রস্তাবিত নকশা
লন্ডনে চীনের বিশাল নতুন দূতাবাস নির্মাণের অনুমোদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঙ্গলবার আদালতে আবেদন করেছেন একদল স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের দাবি, বিক্ষোভের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের নজরদারির ঝুঁকি বিবেচনায় না নিয়েই দেওয়া হয়েছে এ অনুমোদন।
লন্ডনের টাওয়ার অব লন্ডনের কাছে প্রায় দুই শতাব্দী পুরোনো রয়্যাল মিন্ট কোর্ট এলাকায় নতুন দূতাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা চলতি বছরের জানুয়ারিতে অনুমোদন পায়। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের চীন সফরের ঠিক আগে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের পর কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এটিই ছিল প্রথম চীন সফর।
বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যদিও যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকদের কেউ কেউ সতর্ক করেছিলেন, দূতাবাসটি গুপ্তচরবৃত্তির ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তবে যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলেছে, এ ধরনের যেকোনো হুমকি মোকাবিলা করা সম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নতুন দূতাবাস নির্মাণের ফলে বিক্ষোভ সীমিত হয়ে যেতে পারে অথবা এটি চীনা ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু এসব ঝুঁকি বিবেচনায় নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অতীতে জোরালোভাবে অস্বীকার করা লন্ডনে চীনা দূতাবাস এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
লন্ডনের হাইকোর্টে মামলাটি করেছে রয়্যাল মিন্ট কোর্ট রেসিডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। রয়্যাল মিন্ট কোর্টে ইজারাভিত্তিক সম্পত্তিতে বসবাসকারী ও ব্যবসা পরিচালনাকারী একদল পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করছে সংগঠনটি।




