Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রজন্মকে বইয়ে ফেরাচ্ছেন খালিক উদ্দিন
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় এশিয়া

হিমালয় থেকে নেমে এলো মৃত্যু

ফরহাদ হোসেন, নেপাল থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩৬
হিমালয় থেকে নেমে এলো মৃত্যু

কোথাও ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকে আছেন, আবার কোথাও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলেও মানুষের আটকে থাকার খবর পাওয়া গেছে।

হিমালয়ের বুক থেকে নেমে আসা ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহধসের ধ্বংসযজ্ঞে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা। আকস্মিক বন্যার স্রোতে ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সীমান্তবন্দর। নেপাল ও তিব্বতে কয়েকশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন হাজারো মানুষ।

গত ২৬ আগস্ট হিমালয়ঘেঁষা নেপালের রাসুয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে। একই সময়ে চীনের তিব্বত অঞ্চলেও ভয়াবহ ধস ও বন্যা শুরু হয়। পাহাড়ের ওপর থেকে বরফ, পাথর, কাদা ও পানির বিশাল স্রোত নেমে এসে নদীগুলোকে মুহূর্তের মধ্যে ভয়ংকর রূপ দেয়। সেই স্রোতের সামনে দাঁড়াতে পারেনি কোনো স্থাপনা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেপালের রাসুয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা। ত্রিশূলী নদী ও আশপাশের জনপদে বন্যার পানি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। চীন-নেপাল সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও যোগাযোগব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যার স্রোতে বহু সড়ক ও সেতু ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দুর্গত এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কোথাও ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকে আছেন, আবার কোথাও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলেও মানুষের আটকে থাকার খবর পাওয়া গেছে।

উদ্ধারকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি। ধ্বংস হয়ে যাওয়া যোগাযোগব্যবস্থার কারণে অনেক এলাকায় স্থলপথে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।

নেপালের উদ্ধার অভিযানে ভারত ও চীন সরাসরি সহায়তা দিয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ বিশেষায়িত উদ্ধার সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশও জরুরি সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকাজ, নিখোঁজদের সন্ধান, মরদেহ শনাক্তকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনরুদ্ধার এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে দুর্যোগের ঝুঁকি এখনো পুরোপুরি কাটেনি। পাহাড়ি এলাকায় ধসের কারণে তৈরি হওয়া জলাধার ও হ্রদের পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এসব জলাধার ভেঙে গেলে নতুন করে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

এই দুর্যোগের পেছনে ঠিক কী কারণে পাহাড় ও হিমবাহের বিশাল অংশ ধসে পড়েছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। হিমালয় অঞ্চলের পরিবর্তিত আবহাওয়া, বরফ গলার প্রবণতা এবং পাহাড়ের অস্থিতিশীলতা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নিখোঁজদের পরিবারগুলোর মধ্যে। স্বজনদের ছবি হাতে হাসপাতাল, উদ্ধারকেন্দ্র ও প্রশাসনিক কার্যালয়ে অপেক্ষা করছেন অসংখ্য মানুষ। কেউ অপেক্ষা করছেন প্রিয়জন জীবিত ফিরে আসবেন—এই আশায়। আবার কেউ খুঁজছেন নিখোঁজ স্বজনের মরদেহ।

হিমালয়ের এই বিপর্যয় শুধু একটি বন্যার ঘটনা নয়। এটি দেখিয়ে দিয়েছে, পাহাড়ের ওপর কয়েক মুহূর্তের একটি ধস কীভাবে মুহূর্তের মধ্যে নিচের জনপদে মৃত্যু ও ধ্বংস ডেকে আনতে পারে।

হিমালয় থেকে নেমে আসা সেই স্রোত সঙ্গে করে নিয়ে গেছে মানুষের ঘর, স্বপ্ন আর আপনজন। আর রেখে গেছে এক ভয়াবহ প্রশ্ন—হিমালয়ের বরফে ঢাকা পাহাড় কি ভবিষ্যতে আরও বড় মৃত্যুর বার্তা নিয়ে নামবে?

নেপালের বন্যাহিমালয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    মিয়ানমার থেকে পানির নিচ দিয়ে বিশেষ ক্যারিয়ারে আনা হতো ইয়াবা

    মিয়ানমার থেকে পানির নিচ দিয়ে বিশেষ ক্যারিয়ারে আনা হতো ইয়াবা

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

    কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

    কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

    নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস

    নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস

    বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা

    বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা

    ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটাই ফ্যাসিবাদীদের চরিত্র’

    ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটাই ফ্যাসিবাদীদের চরিত্র’

    ডিসি-এসপি গিয়ে মুক্ত করলেন ভিসি শরীফুলকে, চুয়েট ছাড়লেন অ্যাম্বুলেন্সে

    ডিসি-এসপি গিয়ে মুক্ত করলেন ভিসি শরীফুলকে, চুয়েট ছাড়লেন অ্যাম্বুলেন্সে

    হেনস্তার ঘটনা ড. ইউনূসের ওপর প্রভাব ফেলেনি : লামিয়া মোরশেদ

    হেনস্তার ঘটনা ড. ইউনূসের ওপর প্রভাব ফেলেনি : লামিয়া মোরশেদ

    ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

    ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলের মৃত্যু

    আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলের মৃত্যু