Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর সেবাই সালমানের নেশা
রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় এশিয়া

তালিবানের আফগানিস্তানে নারীদের চারপাশে শুধু নিষেধের দেওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৬
তালিবানের আফগানিস্তানে নারীদের চারপাশে শুধু নিষেধের দেওয়াল

এআই নির্মিত ছবি

স্কুলের দরজা বন্ধ। কাজের পথও সব আটকে গেছে। এমনকি চিকিৎসা নিতে গেলেও অনেক বাধা। নিজের সংসার থেকে বেরিয়ে আসার অধিকারও এখন সংকুচিত। তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পর আফগান নারীদের জীবন যেন ছোট হয়ে আসা এক বৃত্তে বন্দি। শিক্ষা থেকে কর্মক্ষেত্র, বিয়ে থেকে বিচ্ছেদ, চিকিৎসা থেকে প্রকাশ্যে কথা বলা- জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এখন শুধু নিষেধের ছায়া।

২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে। তারপর থেকেই নারী ও মেয়েদের উপর একের পর এক নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জনজীবনে নারীদের অংশগ্রহণও এখন খুব সীমিত। এর ফলে একটি প্রজন্মের মেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন অনেক বড় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা শুধু শিক্ষা বা কর্মক্ষেত্রেই থেমে নেই। শুক্রবার দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এমন এক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, যা নারীদের স্বাধীনতাকে প্রায় শেষ করে দিয়েছে।

এমনকি বিয়ের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি খুব খারাপ বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বিয়ের ন্যূনতম বয়স নিয়ে আগের আইনি সুরক্ষাগুলো এখন আর নেই। ফলে মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছনোকেই মাপকাঠি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এর ফলে গরিব পরিবারগুলোর ওপর অল্পবয়সি মেয়েদের বিয়ের বিনিময়ে টাকা বা যৌতুক নেওয়ার চাপ তৈরি হতে পারে।

সংসারের ভেতরেও নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘সংশোধনমূলক প্রহার’ এর মতো ধারণা দিয়ে স্বামীর হাতে স্ত্রীর ওপর শারীরিক নির্যাতন করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিবাহবিচ্ছেদের অধিকার পাওয়া এখন অনেক কঠিন। এমনকি নির্যাতিত নারীদের জন্য থাকা অনেক আশ্রয়কেন্দ্রও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে অত্যাচার থেকে বাঁচতে চাইলেও অনেক আফগান নারীর সামনে নিরাপদ আশ্রয়ের কোনো পথ থাকে না।

চিকিৎসাক্ষেত্রেও এখন বড় সংকট তৈরি হয়েছে। নারী চিকিৎসকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। আবার পুরুষ চিকিৎসকের কাছে নারীদের চিকিৎসা নেওয়ার ওপরও অনেক বাধা আছে। ফলে অসুস্থ নারীরা অনেক বিপাকে পড়ছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মেয়েদের উচ্চশিক্ষার পথ বন্ধ থাকায় ভবিষ্যতে নারী চিকিৎসকের সংখ্যা আরও কমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সবকিছুর প্রভাব নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও পড়ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে নথিভুক্ত আত্মহত্যা এবং আত্মহত্যার চেষ্টার ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশই নারী ও কিশোরীদের মধ্যে। এই সংখ্যাটি আফগানিস্তানের পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝিয়ে দেয়।

তবুও এই অন্ধকারের মধ্যেও লড়াইয়ের আলো এখনো নিভে যায়নি। তালিবানের নিষেধ সত্ত্বেও নারীরা এখন গোপনে মেয়েদের পড়াশোনা শেখাচ্ছেন। ছদ্মনামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা জানানো হচ্ছে এবং প্রতিবাদে রাস্তায় নামার মতো নানা পথ বেছে নিচ্ছেন আফগান নারীরা। চলতি বছরের জুনে হেরাতে তারই বিরল প্রকাশ্য ছবি দেখা যায়। নারী ও পুরুষেরা শিক্ষা, কাজ ও স্বাধীনতার দাবিতে রাস্তায় নেমেছিলেন। নিরাপত্তাবাহিনীর দমন, গ্রেফতার এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণের মধ্যেও সেই প্রতিবাদ দেখিয়ে দিয়েছে যে, নিষেধের দেওয়াল যত উঁচুই হোক, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে পুরোপুরি বন্দি করা যায় না।

ভাষান্তর : রুবাইয়া জেসমিন

আফগানিস্তানতালিবাননারী
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    মডেল-অভিনেত্রী তুলনা মারা গেছেন

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    সৌদিতে চাকরির প্রলোভনে নারীকে নিয়ে বিক্রি, চাচাতো ভাই গ্রেপ্তার

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    স্বামীর বিষপানে বাধা দিতে গিয়ে পড়ল স্ত্রীর মুখেও, দুজনই হাসপাতালে

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    ‘মব করতে নয়, গিয়েছিলাম বিচার চাইতে’

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    আসিফকে টার্গেট করেই গুলি, শুটাররা আসে মগবাজার থেকে

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    ‘সময় কখনো সাদাকালো, কখনো রঙিন’ লিখে চলে গেলেন এসআই মিজান

    সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-কন্যা, দাফন প্রশাসনের সহায়তায়

    সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা জামায়াতের

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন মা

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    ‘চিরদিন রাখবে মনে এমন সময় কারও নেই’

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম পাঠানোয় অন্তঃসত্ত্বাকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সিজার বাণিজ্য : ৫০ হাজারের চুক্তি, বিল দেড় লাখ টাকা

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি