মহাজাগতিক কণা শনাক্তকরণের জন্য হালজেন পেলেন পদার্থের নোবেল

ফ্রান্সিস হালজেন। ছবি : সংগৃহীত
পদার্থবিজ্ঞানে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়াম বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ফ্রান্সিস হালজেন।
আজ মঙ্গলবার নোবেল কমিটি বিজয়ী হিসেবে হালজেনের নাম ঘোষণা করেছে।
কমিটি জানিয়েছে, হালজেনকে আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং জ্যোতির্পদার্থ বৈজ্ঞানিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
হালজেন অ্যান্টার্কটিকার দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত অ্যামুন্ডসেন–স্কট স্টেশনের আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরির প্রধান গবেষক।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন–ম্যাডিসনের ভিলাস রিসার্চ প্রফেসর ও গ্রেগরি ব্রেইট ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ইনস্টিটিউট ফর এলিমেন্টারি পার্টিকল ফিজিকস রিসার্চের পরিচালক।
উচ্চশক্তির নিউট্রিনো জ্যোতির্বিজ্ঞানের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত হালজেন। এই ক্ষেত্রে তার গবেষণা মহাবিশ্বের উচ্চশক্তির কণা ও সেগুলোর উৎস অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
২০২৫ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে পেয়েছিলেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন, জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরে ও জন এম মার্টিনিস। তাদের পুরস্কার দেওয়া হয় ‘একটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে বৃহদাকার কোয়ান্টাম টানেলিং ও শক্তির কোয়ান্টায়ন আবিষ্কারের জন্য।
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদের নির্বাচন করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য মোট ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা। একাধিক ব্যক্তি পুরস্কার পেলে এই অর্থ তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়।




