আগামীর সময়

ক্রাচ থেকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

ক্রাচ থেকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সোনাকে পারিবিারিক বলেছেন কের। ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীটা এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল জশ কেরের। ছয় মাস আগেও হাঁটতে পারতেন না তিনি। চলতে হতো ক্রাচে ভর করে। ২৮ বছর বয়সি ব্রিটিশ এই দৌড়বিদই এখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।

পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপ। বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি ইমরানুর রহমান ৬০ মিটার স্প্রিন্টে হতাশ করেছেন এখানে। সেই পোল্যান্ডেই বাজিমাত ক্রাচ ছেড়ে ফিট হয়ে ওঠা কেরের।

৭.৩৫.৫৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে শনিবার সোনা জিতেছেন জশ কের। যুক্তরাষ্ট্রের কোল হুকার রুপা জিতেছেন ৭.৩৫.৭০ সেকেন্ড সময় নিয়ে। ২০২৪ গ্লাসগোর পর এটা দ্বিতীয় বিশ্ব ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপ সোনা কেরের।

অথচ গত টোকিও বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে গুরুতর চোটে পড়েছিলেন কের। সেপ্টেম্বরে হওয়া চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে টান পড়েছিল কাফে। ৬০০ মিটার বাকি থাকতে প্রত্যাহার করে নেন নিজেকে। এরপর পরীক্ষায় দেখা যায় তার ডান পায়ের কাফ মাসলে ‘গ্রেড টু টিয়ার’ হয়েছে।

তখন থেকেই ক্রাচে ভর করে চলতে হত কেরকে। সুস্থ হতে টোকিওতেই থেকে যান কের। এ সময় তার মা ছিলেন পাশে। অসহ্য যন্ত্রণার অধ্যায়টা পেছনে ফেলে প্যারিস ও টোকিও অলিম্পিকে ১৫০০ মিটারে পদক জেতা কের এবার বাজিমাত করলেন পোল্যান্ডে।

পোল্যান্ডে ৩০০০ মিটারে সোনা জিতে কের পুরস্কারটা উৎসর্গ করলেন পরিবারকে,‘আমার মনে হয় এটা পারিবারিক জয়। টোকিওর সেই ইনজুরির পর আমার মা, কোচ আর পরিবার যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিল-সত্যিই অসাধারণ। আমি শুধু নিজেকে ফিট করার চেষ্টায় ছিলাম। দৌড় শেষে দেখলাম সবচেয়ে বেশি ফিট আমিই!’

    শেয়ার করুন: