হামলার শঙ্কায় স্থগিত এশিয়ান কাপ

সংগৃহীত ছবি
এই টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছিল টানাপোড়ন। শেষ পর্যন্ত সংঘাতের মুখে স্থগিত হলো এশিয়ান কাপ। সৌদি আরবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে হতে যাওয়া হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্ট হতে পারে ২০২৭ সালের শেষভাগে।
গত কয়েক মাস ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে চলছে সংঘাত। সৌদি আরবে কয়েক সপ্তাহ ধরে হুতিদের হামলায় নিহত হয়েছেন অনেকেই। এতেই সৌদিতে এশিয়ান কাপ আয়োজন নিয়ে বড় শঙ্কা জেগেছিল।
এবার এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন নিশ্চিত করেছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা শঙ্কায় নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না টুর্নামেন্টটি। আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের আসরটি। টুর্নামেন্টটি এখন ২০২৭ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২০২৮ সালের ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এএফসি মঙ্গলবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে তাদের, ‘এএফসি এশিয়ান কাপের আয়োজক কমিটি এই অঞ্চলের ঘটনাবলী থেকে উদ্ভূত বর্তমান ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির আলোকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য লজিস্টিক জটিলতা এবং ভ্রমণ বিঘ্ন অন্তর্ভুক্ত, এই টুর্নামেন্টটির সময়সূচি পুনঃনির্ধারণ করার অনুমোদন দিয়েছে। টুর্নামেন্টের নতুন তারিখ অনুমোদনের জন্য ফিফার কাছে উপস্থাপন করা হবে।
এএফসি আরও জানায়, ‘পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী প্রতিযোগিতাটির আয়োজন ও সম্পাদনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যার ফলে অংশগ্রহণকারী সকল দল, কর্মকর্তা, দর্শক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের স্বার্থে এটি স্থগিত করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।‘
মাত্র গত মাসেই এএফসি সভাপতি শেখ সালমান জানিয়েছিলেন যে, এই মহাদেশের প্রধান এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টটি পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি চলছে। সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইয়েমেনভিত্তিক হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও তিনি এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।
এশিয়ান কাপের জন্য নির্ধারিত আটটি স্টেডিয়ামের মধ্যে পাঁচটিই রিয়াদে অবস্থিত এবং টুর্নামেন্টের ৫১টি ম্যাচের মধ্যে ৩০টি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের আয়োজন করছে সৌদি আরব এবং ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপও আয়োজন করবে তারা।



